বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে জেব্রার মড়কের মধ্যে একটি বাঘেরও মৃত্যু হয়েছে। যা কর্তৃপক্ষ গোপন রেখেছিল। গত ১২ জানুয়ারি বাঘটি মারা যায়। এর ১৮ দিন পর রোববার দুপুরে এ কথা জানিয়েছেন সাফারি পার্ক প্রকল্পের পরিচালক মো. জাহিদুল কবীর।

তিনি বলেন, 'পার্কের জন্য নিয়োজিত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক মো. শহীদুল ইসলাম ও অধ্যাপক মো. রফিকুল আলম প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে, বাঘটির মৃত্যুর জন্য অ্যানথ্রাক্স জীবাণুকে চিহ্নিত করেছেন।'

বাঘের মৃত্যুর তথ্যটি কেন গোপন রাখা হয়েছিল- এমন প্রশ্নের জবাবে জাহিদুল কবির বলেন, 'যে কারণটির কথা বলা হয়েছে, সেটি বাঘের মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন চিকিৎসকরা। তবে বাঘের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যায়নি; তাই তা কাউকে জানানো হয়নি। এ নিয়ে তদন্ত হচ্ছে।'

এদিকে গত ২ জানুয়ারি থেকে ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত ২৭ দিনে পার্কের মোট ১১টি জেব্রার মৃত্যু হয়। সবশেষ শনিবার সকালে ও সন্ধ্যায় অসুস্থ দুটি জেব্রার মৃত্যু হয়।

পার্কে জেব্রাগুলোর মৃত্যুর জন্য প্রাণঘাতী ‘ব্যাক্টেরিয়ার আক্রমণ ও নিজেদের মধ্যে মারামারিকে’ কারণ হিসেবে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করেছে পার্ক কর্তৃপক্ষ।

তবে আরও তদন্ত ও করণীয় ঠিক করতে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।

রোববার মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, পার্কের অসুস্থ জেব্রাগুলোর বিভিন্ন মেডিকেল পরীক্ষার ফলাফল দক্ষিণ আফ্রিকায় পাঠানো হয়েছে ‘উন্নত চিকিৎসা ও অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের স্বার্থে’।