কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে কথা কাটাকাটির জেরে শিক্ষকের সামনে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এক পর্যায়ে ওই শিক্ষার্থী পার্শ্ববর্তী ন্যাশনাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আশ্রয় নিলে সেখানেও ভাঙচুর করা হয়। মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা জানান, কলেজের ভেতরে শিক্ষকদের সামনে এক ছাত্রকে মারধর করেন শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রত্যাশী মো. ফেরদৌস, সিনিয়র সহসভাপতি শাওন, চিত্র, ফারদিন, শাওন, টিপু, হৃদয়সহ ২০-২৫ জন। এক পর্যায়ে ওই শিক্ষার্থী পালিয়ে ন্যাশনাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আশ্রয় নেন এবং পেছনের গেট খুলে পালিয়ে যান। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা পিছু নিয়ে ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যান এবং তাঁকে না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে চেয়ার-টেবিল ও দরজা ভাঙচুর করেন।
ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক সজল পাল বলেন, হঠাৎ করে সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের ২০-২৫ জন এসে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। খবর পেয়ে ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. রতন আসেন। ভাঙচুরকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রলীগ নেতা মো. ফেরদৌস বলেন, কলেজের দুই ছাত্রের মধ্যে কথা কাটাকাটির জেরে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভাঙচুরের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান অধ্যাপক লাল মোহাম্মদ বলেন, তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কলেজের দুই ছাত্রের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে এক ছাত্রকে মারধর করা হয়। তবে তাদের নাম আমরা জানতে পারিনি।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি দেলোয়ার হোসেন বলেন, ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।