নবম শ্রেণিতে পড়ূয়া বোনকে লুকিয়ে রেখে অপহরণের নাটক সাজানো হয়। পরে বাবা মাইনুদ্দিনের কাছে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন মেয়ে ও জামাতা। এ ঘটনা ঘটেছে কুমিল্লার তিতাস উপজেলার কেশবপুর গ্রামে।

গত শনিবার রাতে লুকিয়ে রাখা ছাত্রীকে দাউদকান্দির গৌরিপুর বাজার থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশরে গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। গত ১ আগস্ট প্রাইভেট পড়তে গিয়ে নিখোঁজ হয় কেশবপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থী।

পুলিশ জানায়, মাইনুদ্দিনের বড় মেয়ে মুন্নী পরিবারের সদস্যদের না জানিয়ে আদালতের মাধ্যমে তাঁর খালাতো ভাই আপনকে বিয়ে করেন। বিষয়টি মুন্নীর পরিবার মেনে নেয়নি। এ নিয়ে দুই পরিবারের দ্বন্দ্ব। এক পর্যায়ে মুন্নী ও আপন মিলে ওই ছাত্রীকে ডেকে নিয়ে লুকিয়ে রাখে।

এ ঘটনায় গত ২ আগস্ট তার পরিবার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। এরপর মাঠে নামে পুলিশ। এরই মধ্যে একাধিক ফোন নম্বর থেকে ছাত্রীর বাবা ও চাচার কাছে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

পরে শনিবার রাতে আপনের মায়ের সহযোগিতায় গৌরিপুর বাজার থেকে ছাত্রীকে উদ্ধার করে ডিবি। রোবাবর দুই পরিবারের লোকজন থানায় হাজির হয়ে আপোস মীমাংসা করেছে।

কুমিল্লা ডিবির উপপরিদর্শক ইফতেখার উদ্দিন জানান, উদ্ধার ছাত্রী তার বোন ও খালতো ভাইয়ের সঙ্গে মিলে স্বেচ্ছায় লুকিয়ে ছিল। পরিবারের কাছ থেকে কিছু টাকা নেওয়ার চেষ্টা করেছিল তারা।

তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুধীন চন্দ্র দাস বলেন, সবাই একই পরিবারের সদস্য হওয়ায় মামলা করতে রাজি হয়নি কেউ।