ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঢাকা নদীবন্দর সদরঘাট টার্মিনাল এলাকায় যাত্রীদের চাপ বাড়তে শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকেই মানুষের ভিড় দেখতে পাওয়া যায়। 

এদিকে চাঁদপুর নৌপথে যাত্রীদের চাপ থাকলেও দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, আমতলী, বরগুনা ও হুলারহাটসহ বেশ কয়েকটি রুটে যাত্রীদের ভিড় কম ছিল।

হুলারহাটগামী এমভি টিপু-১২ লঞ্চের কেরানি মো. সোহাগ জানান, লঞ্চ ছাড়বে সন্ধ্যা ছয়টায়। গার্মেন্টস ছুটি হলে চাপ বাড়বে।

ঢাকা নদীবন্দর সদরঘাট টার্মিনাল সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ভোর পাঁচটা থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত টার্মিনালে লঞ্চ এসেছে ৬৩টি এবং টার্মিনাল ছেড়ে গেছে ৩১টি লঞ্চ।

এদিকে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা নদীবন্দর সদরঘাট টার্মিনাল এলাকা পরিদর্শনে আসেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোস্তফা কামাল ও বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক।

অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল সংস্থার ঢাকা নদীবন্দরের আহ্বায়ক ও এমভি ইয়াদ লঞ্চের মালিক মামুন আল রশিদ বলেন, ঈদের ৩ থেকে ৪ দিন আগে থেকে টার্মিনালে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় থাকে। পদ্মা সেতু চালু হওয়ার কারণে এবার টার্মিনালে ভিন্ন চিত্র।