বরিশাল মুক্ত দিবসে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা জানানো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বরিশালে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা ও সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বিভেদ ভুলে এক মঞ্চে উঠলেন।

গত ১৮ আগস্ট প্রশাসন ও মেয়র অনুসারী আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে তুলকালাম কাণ্ডের পর থেকে মেয়র ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মধ্যে অঘোষিত দূরত্ব চলছিল। তিন মাস পর বুধবার সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে একসঙ্গে অনুষ্ঠানে অংশ নিলেন তারা।

বরিশাল মুক্ত দিবস উপলক্ষে বরিশাল সিটি করপোরেশন ১০০ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা দেয়। বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. সাইফুল হাসান বাদল, মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান, জেলা প্রশাসক মো. জসীম উদ্দীন হায়দারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে অংশ নেন। কীর্তনখোলার তীরে ওয়াপদা কলোনিতে বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ তার বক্তৃতায় ১৮ আগস্টের ঘটনাকে অনাকাঙ্ক্ষিত উল্লেখ করে বলেন, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সিভিল প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন সমন্বিতভাবে কাজ না করলে উন্নয়ন করা যায় না- এটা আমার বিশ্বাস।

বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল হাসান বাদল বলেন, 'প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা বরিশালে পরিবর্তন আনতে চাই; সুন্দর করতে চাই। আমরা যে যে পদেই থাকি না কেন, এমন কিছু করব না যাতে সরকার, প্রধানমন্ত্রী বিব্রত হন, কষ্ট পান। তিনি সুন্দর অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য মেয়রকে ধন্যবাদ জানান।'

মহানগর পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান পাকিস্তানি হানাদারদের নির্মম নির্যাতনের সাক্ষী 'টর্চার সেল' সংরক্ষণের জন্য মেয়রকে ধন্যবাদ জানান।