মাস্ক না পরায় চট্টগ্রামে ৫০ জনকে জরিমানা

প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০   

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সরকারের ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করে মুখে মাস্ক না পরার অপরাধে চট্টগ্রামে ৫০ জনকে জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার নগরের কোতোয়ালী থানা এলাকায় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এমন জরিমানা করেন। 

অপর আরেক অভিযানে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে খাদ্যপণ্য বিক্রির অভিযোগ প্রমাণ পাওয়ায় নগরের লালখান বাজারের 'কুটুমবাড়ি' রেস্তোরাকে জরিমানা করা হয়েছে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারুক সমকালকে বলেন, 'করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে মাস্ক পরার ক্ষেত্রে সরকারের কঠোর নির্দেশনা থাকলেও অধিকাংশ মানুষই তা মানছেন না। সরেজমিনে দেখা যায় রাস্তা-ঘাটে, বিপনি বিতান, মার্কেট ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় মানুষ মাস্ক না পরে অবাধে চলাফেরা করছেন। যার ফলে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে। এতে ঝুঁকি বাড়ছে মাস্ক পরিধান করা মানুষদেরও। এজন্য ৫০ জনকে চার হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মাস্ক কেন পরেননি এমন প্রশ্নের উত্তরে অনেকে করোনাভাইরাস নেই বলে জানান তারা। অনেকে দেখান নানা অজুহাতও। কয়েকজনকে দেখেছি সাথে মাস্ক থাকলেও তা না পরে পকেটে রেখেছেন।'

এদিকে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে খাদ্যপণ্য বিক্রির অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ায় নগরের লালখান বাজারের 'কুটুমবাড়ি' রেস্টেত্মারাকে জরিমানা করা হয়েছে। এক ক্রেতার অভিযোগের প্রেক্ষিতে সোমবার সরেজমিন অভিযান পরিচালনা করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় এমন ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান। এ সময় এপিবিএন-৯ এর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা ও মেয়াদোত্তীর্ণ দুধ রাখায় বাঘঘোনা বাজারের সেলিম স্টোরকে ৫ হাজার টাকা, মেডিসিন সেন্টারকে মেয়াদবিহীন কাটা ওষুধ রাখায় ৫ হাজার টাকা, বন্দর মেইন মার্কেটের বাহার সওদাগরের দুই দোকানকে দুই হাজার টাকা, ইউসুফ সওদাগরকে ২ হাজার টাকা এবং ইপিজেড বাজারের আল জিলানি স্টোরকে মূল্য তালিকা না থাকায় ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।