আদালতে সিনহার বোনের করা মামলা টেকনাফ থানায় নথিভুক্ত

প্রকাশ: ০৬ আগস্ট ২০২০     আপডেট: ০৬ আগস্ট ২০২০   

কক্সবাজার অফিস

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান - ফাইল ছবি

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান - ফাইল ছবি

পুলিশের চেকপোস্টে গুলিতে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান নিহত হওয়ার ঘটনায় আদালতে করা মামলাটি টেকনাফ থানায় নথিভুক্ত করা হয়েছে।

আদালতের নির্দেশে বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মামলাটি থানায় নথিভুক্ত করা হয় বলে সমকালকে নিশ্চিত করেছেন থানায় বর্তমানে ওসির দায়িত্বে থাকা এ বি এম দোহা।

তিনি জানান, ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ ৯ জনকে আসামি করে আদালতে করা মামলাটি আদালতের নির্দেশে থানায় নথিভুক্ত করা হয়েছে। 

গত ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এলাকায় চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান।

ঘটনার পর কক্সবাজার পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, রাশেদ তার পরিচয় দিয়ে 'তল্লাশিতে বাধা দেন'। পরে 'পিস্তল বের করলে' চেকপোস্টে দায়িত্বরত পুলিশ তাকে গুলি করে। তবে পুলিশের এমন ভাষ্য নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন ওঠে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহত সাবেক সেনা কর্মকর্তার এক সঙ্গীর বক্তব্যের সঙ্গে পুলিশের ভাষ্যের কিছুটা অমিল রয়েছে বলে একটি সূত্র জানায়। এমন প্রেক্ষাপটে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে উচ্চ পর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এ ঘটনায় বুধবার সকালে টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ পুলিশের ৯ সদস্যের বিরুদ্ধে কক্সবাজারের আদালতে মামলা করেন সিনহা রাশেদের বোন শারমিন শাহরিয়া।

মামলা হওয়ার পর টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তার পরিবর্তে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে থানার দ্বিতীয় কর্মকর্তা এ বি এম দোহাকে।