ইয়েমেনের রাজধানী সানায় হুতি বিদ্রোহীদের ঘাঁটিতে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন কোয়ালিশন বাহিনী হামলা চালিয়েছে। সানার বাসিন্দারা বলেছেন, হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতে হুতি বিদ্রোহীদের ভয়াবহ হামলার একদিন পর এই হামলার ঘটনা ঘটলো। 

২০১৫ সালে সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ইয়েমেন যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। ইয়েমেনের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট আবদ-রাব্বু মনসুর হাদির সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য দেশ দুটি যুদ্ধে জড়ায়। ২০১৪ সালের শেষের দিকে রাজধানী এবং উত্তরাঞ্চলের কিছু এলাকা হুতি বিদ্রোহীরা দখলে নিলে মনসুর হাদি দেশটিতে থেকে পালিয়ে যান। খবর আল-জাজিরার।  

সৌদির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে কোয়ালিশন বাহিনী বলেছে, তারা ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের শক্ত ঘাঁটি এবং ক্যাম্পগুলোতে বিমান হামলা শুরু করেছে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রাথমিকভাবে ওই হামলায় অন্তত ১৪ নিহতের কথা বলা হয়েছিল। 

রয়টার্সকে স্থানীয় বাসিন্দা এবং একটি হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, হামলায় একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তার বাড়ি আক্রান্ত হয়। এতে তিনি, তার স্ত্রী, তার ২৫ বছর বয়সী ছেলে এবং পরিবারের অন্য সদস্যরা নিহত হন। এছাড়া অজ্ঞাতনামা কয়েকজন নিহত হন।