রাজবাড়ীতে রবীন্দ্র-নজরুল স্মরণ

প্রকাশ: ০৬ আগস্ট ২০১৯      

সৌমিত্র শীল চন্দন

জীবনের সমান বিস্তৃত বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিজীবন ও কর্মজীবন। শুরুটা হয়েছিল আট বছর বয়সে ভানু সিংহ নামে আর ব্যপ্ত ছিল আগস্ট ১৯৪১ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত। অন্যদিকে বাঙালির মণিকোঠায় রয়েছেন বিদ্রোহী কবি নজরুল। তুর্কি, আরবি, ফারসি প্রভৃতি বিদেশি সুরে যেমন, তেমনি সাঁওতাল, সাপুড়ে, ঝাঁপ নৃত্যের মতো উপজাতীয় ছন্দেও নজরুল রচনা করেছেন অজস্র গান। রবীন্দ্রনাথ আর নজরুলকে জানতে হবে, পড়তে হবে, শিখতে হবে। তাদের আদর্শকে লালন করতে হবে- এমনই সব উঠে এসেছে রবীন্দ্র-নজরুল স্মরণ অনুষ্ঠানের আলোচনায়।

'জাগ্রত দুয়ারেতে ফুটেছে যে ফুল, তার চারপাশে রবি আর নজরুল' প্রতিপাদ্যে রবীন্দ্র-নজরুল স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে রাজবাড়ী সুহৃদ সমাবেশ। শুক্রবার বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমির দ্বিতীয় তলায় প্রশিক্ষণ কক্ষে আলোচনা, আবৃত্তি, সঙ্গীত, নৃত্য ছাড়াও ছিল কুইজ প্রতিযোগিতা।

রবীন্দ্র-নজরুল বিষয়ে আলোচনায় অংশ নেন রাজবাড়ী সুহৃদ সমাবেশের উপদেষ্টা মহিতুজ্জামান বেলাল, সাধারণ সম্পাদক নাসির খান ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ফারিয়া রোজা। সঙ্গীত পরিবেশন করেন আব্দুল জব্বার, আশিফ মাহমুদ, মোশতাক আহমেদ ও মৌমিতা ভাজন।

রবীন্দ্রনাথের নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ আবৃত্তি করেন সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক জুয়েল, সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক রিফাত পরিবেশন করেন প্রার্থনা কবিতাটি।

পাগলা হাওয়ার বাদল দিনে গানের সঙ্গে দ্বৈত নৃত্য পরিবেশন করেন সহ-সমাজকল্যাণ সম্পাদক খাদিজাতুল কোবরা ও সহ-নারী সম্পাদক রীমা হালদার।

সুহৃদ সমাবেশের সদস্যদের পরিবেশনায় মুগ্ধ সবাই।

আলোচনা, গান, আবৃত্তি, নৃত্যের পর কুইজ প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী তামান্না। পুরস্কার জিতে খুব খুশি তিনি। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান লাভ করেন সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক রিফাত মোল্লা ও সরকারি কলেজ শাখার সদস্য মাহবুবুর রহমান। কুইজ পরিচালনা করেন সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক জুয়েল। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মহিতুজ্জামান বেলাল, কমলকান্তি সরকার ও আশিফ মাহমুদ। অনুষ্ঠানটি সমন্বয় ও সঞ্চালনা করেন সমকালের রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি সৌমিত্র শীল চন্দন। যেসব সুহৃদের আন্তরিক সহযোগিতায় সম্পন্ন হলো অনুষ্ঠানটি- অমিত সরকার, তুলিকা হাসান, সৌরভ বিশ্বাস, জোহরা সোমা, পরিমল বিশ্বাস, রবিউল রবি প্রমুখ।

অন্যান্য