ক্যাম্পাস

ক্যাম্পাস


এমএসএস আই কেয়ার প্রজেক্ট

হাত বাড়িয়ে দাও

প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০১৯     আপডেট: ২৭ জুলাই ২০১৯      

স্বপনা রেজা

 হাত বাড়িয়ে দাও

এই ধরনের উদ্যোগ প্রশংসা পেয়েছে সবার- ছবি :সংগ্রহ

মানব জীবনে চোখ একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। কারণ চোখ দৃষ্টি দেয়। সেই দৃষ্টির আলোয় জীবন পরিচালিত হয়। এক সুন্দর সম্ভাবনার পথে জীবন এগোয়। জীবন বেড়ে ওঠে। তাই জীবনমান উন্নয়নে দৃষ্টির আলো জ্বেলে রাখতে চোখের সুস্থতার প্রয়োজন হয়। চোখের সুস্থতা জরুরি হয়ে ওঠে। ১৯৭৪ সাল থেকে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কর্মরত মানবিক সাহায্য সংস্থা তাই সুবিধাবঞ্চিত মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়ন, যেমন- স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে আসছে। এই ধারাবাহিকতায় 'দারিদ্র্যের কারণে কেউ আর অন্ধ থাকবে না'- এই প্রত্যয়ে মানবিক সাহায্য সংস্থার আই কেয়ার প্রজেক্ট (ইসিপি-এমএসএস) বাংলাদেশে প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব দূরীকরণে ২০১৪ সাল থেকে অব্যাহতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দেশের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধিতা দূর করতে মানবিক সাহায্য সংস্থার আই কেয়ার প্রজেক্টের আওতায় যে কাজগুলো করা হচ্ছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- সুবিধাবঞ্চিত মানুষের নিরাময়যোগ্য অন্ধত্ব বিনামূল্যে শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা প্রদান, ছানী অপারেশন, ওষুধ ও চশমা বিতরণ, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিকরণ, চক্ষু স্বাস্থ্য বিষয়ে শিক্ষাদান। পাশাপাশি যেসব প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতাল চক্ষু চিকিৎসাসেবা প্রদানে কর্মরত আছে তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও চক্ষুসেবা কার্যক্রম বৃদ্ধিতে সহায়তা করা। শহর, গ্রাম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর নিরাময়যোগ্য অন্ধত্ব দূরীকরণে মানবিক সাহায্য সংস্থার আই কেয়ার প্রজেক্ট শুধু কাজ করছে না, এমএসএস আই কেয়ার প্রজেক্ট তার এই মহতী উদ্যোগ নিয়ে পৌঁছে গেছে শিশুদের মাঝে। যারা আগামী বাংলাদেশের ধারক ও বাহক, তথা ভবিষ্যৎ। এসব শিশু সুবিধাবঞ্চিত ও স্বল্প সুবিধাপ্রাপ্ত।

সম্প্রতি এমএসএস আই কেয়ার প্রজেক্টের স্কুল সাইট টেস্টিং প্রোগ্রাম ঢাকার মোহাম্মদপুর থানাধীন ২২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে চোখের সুস্থতার সেবা দিয়েছে। এমএসএস আই কেয়ার প্রজেক্টের এই কার্যক্রম সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিফাত-ই-রাব্বান বলেন, 'এই প্রোগ্রামটি নিঃসন্দেহে একটি সেবামূলক প্রোগ্রাম, যা দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই প্রয়োজন ছিল। আমার বিদ্যালয়ের বেশ কিছু শিক্ষার্থীর চোখে সমস্যা দেখা গেছে, যা নিরাময়ের ব্যবস্থাও এই সংস্থা করেছে বলে আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।' বছিলা নতুন মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মুকুল চন্দ্র সিদ্ধা বলেন, 'এ ধরনের প্রোগ্রাম শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই উপকারী।