ঘাস ফড়িং

ঘাস ফড়িং


ছড়া-কবিতা

প্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০      
কেউ দেখে না

জাহাঙ্গীর আলম জাহান



আমি শিশু ছোট্ট অতি

বন্ধু আমার প্রজাপতি

ফড়িং খেলার সাথী

ওদের সাথে করার কথা

আমার মাতামাতি।



কিন্তু সময় পাই না আমি

নেই অবসর মোটে

ভোরের বেলা যাই কোচিংয়ে

সূূর্য যখন ওঠে।



আমি শিশু সরল-সোজা

পিঠে নিয়ে বইয়ের বোঝা

হচ্ছি কুঁজো রোজ

নিজের কাজে ব্যস্ত সবাই-

কেউ রাখে না খোঁজ।



সবার মুখে-পড়ো-পড়ো

ভবিষ্যতের জীবন গড়ো

দাঁড়াও সোজা হয়ে

কেউ দেখে না হচ্ছি কুঁজো

বইয়ের বোঝা বয়ে।



তিড়িংবিড়িং

বজলুর রশীদ



বাড়ির পাশে শর্ষেক্ষেতে

উড়ছে কত ফড়িং,

ইচ্ছে জাগে দস্যি ছেলের

কেমনে ওসব ধরিং।



দস্যি ছেলে আল মাড়িয়ে

শর্ষেক্ষেতে এলে,

ফড়িংগুলো ভয়ে ভয়ে

অমনি ডানা মেলে।



আলের ওপর একটা ফড়িং

বসলো আবার খড়ে,

দস্যি ছেলে বেজায় খুশি

কৌশলে তা ধরে!



সিলেটে নিমন্তন্ন

সুমন বণিক



প্রকৃতির লীলায় মত্ত পুণ্যভূমি এই দেশে

বন্ধু তোমায় জানাই নিমন্তন্ন ভালোবেসে।

সর্পিল পথ হারিয়ে গেছে পাহাড়ের গা ঘেঁষে

সবুজ গালিচা মুড়ে দিয়েছে অপরূপ বেশে।

রঙিন আশার সবুজ পাতায় ভরা চায়ের ঝুড়ি

চা-শ্রমিকের স্বপ্নমোখা দুটি পাতা একটি কুঁড়ি।

পাহাড়িঝর্ণার জলাবন সে যে রাতারগুল

গাছেরা চুমু খায় শান্ত জলে কী যে মশগুল!

পাহাড় মেঘে লুকোচুরি খেলে এ যে বিছনাকান্দি

সেই রূপ দেখে মনটা ঘরে কেমনে রাখি বান্ধি।

জৈন্তাপাহাড়ে ঝিরিঝিরি বাতাস প্রাণে এসে বুলায়

শ্রীভূমি সিলেটে প্রকৃতির মায়ায় চোখ দুটি জুড়ায়।