ঘাস ফড়িং

ঘাস ফড়িং


চাঁদ কই?

প্রকাশ: ০৬ আগস্ট ২০১৯      

শুকুফে ইসলাম অহনা

ঈদ মানেই নতুন চাঁদ। চাঁদ দেখে আমরা খুশি হই। ঈদের জন্য প্রস্ততি নিই। কিন্তু এই চাঁদে মানুষ পা-রাখার পঞ্চাশ বছর চলছে! এখন চাঁদ আমাদের কতো কাছের মনে হয়! আচ্ছা, যখন মানুষ চাঁদে যেতে পারেনি তখনকার চাঁদ আমাদের থেকে অনেক দূরে ছিলো? এই প্রশ্ন সেদিন বাবাকে করেছিলাম। বাবা বলেন, বোকা মেয়ে, চাঁদ পৃথিবী সবইতো ঘুরছে তার কক্ষ পথে। তুই আরও বড় হয়ে নে; তারপর তোকে সব বুঝিয়ে বলবো। আমি বাবার কথা মাথায় নিয়ে বসে থাকি। আর চাঁদ নিয়ে ভাবি। চাঁদ নিয়ে আমাদের এতো ভাবনা কেন? কতো ছড়া. কতো কবিতা, কতো গল্প এই চাঁদ মামাকে নিয়ে! চাঁদ মামাও আমাদের বড্ড ভালোবাসেন। তাইতো বছরে দুবার নিজেকে নতুন করে উপস্থাপন করেন আমাদের কাছে। এই দু'বারই আমরা চাঁদ মামাকে দেখে ঈদ পালনের জন্য মেতে উঠি। অমি ঈদের চাঁদ দেখে যতোটা খুশি হই তার চেয়ে বেশি খুশি হবো যেদিন চাঁদে যেতে পারবো। চাঁদের মাটিতে পা-রাখতে পারলে অনেক অনেক ভালো লাগবে আমার। সেই স্বপ্ন কবে বাস্তব হবে জানি না। সেদিন চাঁদকে ডেকে জিজ্ঞেস করেছিলাম। চাঁদ মামা একটা মুচকি হাসি দিয়ে তাকিয়ে থাকলেন। আমিও তাকিয়ে ছিলাম। আজও তাকিয়ে আছি। থাকবো ততোদিন; যতোদিন চাঁদের মাটিতে পা রাখতে না পারি!

হ সপ্তম শ্রেণি, কুলাউড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়