দিন রাত্রি

দিন রাত্রি

গপ্পো

আবার যাবো স্কুলে

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২০

আফিয়া তাহসিন

সকালে ঘুম থেকে উঠে রোজ স্কুলের জন্য তৈরি হতাম। মায়ের সঙ্গে যেতাম স্কুলে। টিফিনের জন্য মা মজার খাবার বানিয়ে দিতেন। আর স্কুলে বন্ধুদের নিয়ে খেলা তো ছিলোই। পড়া কঠিন হলেও সহজ লাগতো স্কুলে গেলে। ছুটির পর মা নিয়ে আসতেন বাড়িতে। তারপর বিকেলে টেনিস গ্রাউন্ডে যেতাম লন টেনিস খেলতে। গ্রাউন্ডে অনেক মজা করতাম। আনন্দে শিখতাম টেনিসের নতুন সব টেকনিক। খেলা শেষে সবাই অনেক গল্প করতাম। সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে বই নিয়ে বসতাম। কতোই না আনন্দের ছিলো দিনগুলো! খুব মনে পড়ে ওসব কথা। সে কবে থেকে স্কুল বন্ধ, টেনিস গ্রাউন্ডের গেটেও তালা। চাইলেও যেতে পারি না স্কুুলে। ইচ্ছে করলেও নামতে পারি না প্রিয় টেনিস কোর্টে। কারণটা সবারই জানা। এখন বাসায় বসে ছবি আঁকি, মাঝেমধ্যে বাবার সঙ্গে লুডু আর ছোট ভাইয়ের সঙ্গে ক্যারঅঁম খেলি। মার কাজেও সাহায্য করি। এখনও মা মজার খাবার তৈরি করে দেন। তবে সেই খাবার বান্ধবীদের সঙ্গে ভাগ করে খেতে পারি না। বাসায় থাকতে থাকতে দম বন্ধ হয়ে আসতে চায়! তবে আমি ঠিক জানি, শেষ হবে একদিন করোনাভাইরাস আর জয়ী হবো আমরা। আবার যাবো স্কুলে, আবারও খেলতে নামবো টেনিস কোর্টে। মাও বলেন এই কথা।

বয়স : ২+২+৩+৪ পঞ্চম শ্রেণি, নওগাঁ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, নওগাঁ