হেলথ টিপস

টনসিলাইটিস সমস্যা

প্রকাশ: ০৪ আগস্ট ২০১৯      

ডা. মনিলাল আইচ

প্রত্যেক মানুষের মুখগহ্বরের একেবারে পেছনে দু'পাশে দুটি লসিকাগ্রন্থি থাকে। মুখ খুললেই তা দেখা যায়। এগুলো হচ্ছে প্যালাটাইনটনসিল। অবস্থানভেদে আরও কয়েক ধরনের টনসিল থাকলেও সাধারণ মানুষ টনসিল বলতে এ অবস্থাকেই বোঝে। টনসিলের প্রদাহ বা টনসিলাইটিস সাধারণত ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া এবং কিছু মিউনোলজিক্যাল কারণে হয়। বিটা হিমোলাইটিক স্ট্রেপ্টোকক্কাস ব্যাকটেরিয়া, অ্যাপ্সটিনবার ভাইরাস, সাইটোমেগালো ভাইরাস, এডেনো ভাইরাস- এ রোগ সৃষ্টির অন্যতম। শিশুরাই এতে বেশি আক্রান্ত হয়। তবে বড়দেরও আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম নয়। টনসিলাইটিসে আক্রান্ত ব্যক্তির গলায় খুসখুস ভাব, খাবার গিলতে সমস্যা ও ব্যথা লাগা, কণ্ঠস্বর পরিবর্তন হওয়া, মুখে দুর্গন্ধ হওয়া, কান ব্যথা, মাথাব্যথা, জ্বর, খিঁচুনি, গলার নিচে লসিকা গ্রন্থি ফুলে যাওয়া, শরীর ব্যথা, ক্লান্তি ভাব, নাকডাকা উপসর্গ দেখা দিতে পারে। অনেক টনসিলের ওপর সাদা, হলুদ দাগ অথবা ছাই বর্ণের আবরণ দেখা যেতে পারে। এ ধরনের উপসর্গ তিন থেকে চার দিন এমনকি দুই সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে।

এ ধরনের সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিকে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে।

তবে ঠাণ্ডা পানি নয়। কুসুম গরম পানিতে খাবার লবণ মিশিয়ে কুলকুচি করা যেতে পারে। মুখগহ্বর পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ঠাণ্ডা পানীয় ও আইসক্রিম পুরোপুরি পরিহার করতে হবে। প্যারাসিটামল ওষুধের পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করতে পারেন। বারবার আক্রান্ত হলে অথবা কোনো জটিলতা তৈরি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অস্ত্রোপচার করা যেতে পারে।

ভালো থাকুন।

পরবর্তী খবর পড়ুন : ই-হেলথ

অন্যান্য