চারমাত্রা

চারমাত্রা


বা ঘ না মা

প্রকাশ: ২৭ জুলাই ২০১৯      
-গ্লোবাল টাইগার ফোরামের ২০১৬ সালের তথ্য মতে বিশ্বের ১৩টি দেশে বাঘের কয়েকটি প্রজাতি এখনও টিকে আছে। দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, চীন, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, লাওস, ভুটান, নেপাল ও রাশিয়া।

-২০১৬ সালের জরিপে বিশ্বে বাঘের সংখ্যা ৩৮৯০টি। ২০১০ সালে বাঘের সংখ্যা ছিল ৩২০০টি।

-সংস্থাটির জরিপ অনুযায়ী ভারতে বাঘের সংখ্যা ২২২৬টি, রাশিয়ায় ৪৩৩টি, নেপালে ১৯৮টি, ভুটানে ১০৩টি, বাংলাদেশে ১০৬টি (২০১৯ সালের তথ্যমতে বাংলাদেশে বর্তমান বাঘের সংখ্যা ১১৪টি), মালেশিয়ায় ২৫০টি, থাইল্যান্ডে ১৮৯টি। এ ছাড়া চীন, ভিয়েতনাম ও লাওসে বাঘের সংখ্যা ১টি করে।

-বাঘ হচ্ছে বিড়াল প্রজাতির প্রাণীদের মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রাণী এবং ভূমির মাংসাশী প্রাণীদের মধ্যে তৃতীয় বৃহৎ প্রাণী।

-বিড়াল প্রজাতির প্রাণীদের মধ্যে বাঘই হচ্ছে একমাত্র ডোরাকাটা প্রাণী। বাঘের ডোরাকাটা দাগ দেখে এর প্রজাতি নির্ণয় করা হয় এবং একটি বাঘের ডোরাকাটা দাগের সঙ্গে অন্য বাঘের মিল নেই, অনেকটা মানুষের ফিঙ্গার প্রিন্টের মতো।

-একটি পূর্ণবয়স্ক বাঘ এক বেলায় ৮৮ পাউন্ড পর্যন্ত মাংস খেয়ে থাকে। একবার একটি প্রাণী হত্যা ও খাবার পর বাঘ সাধারণত ৪-৫ দিন কোনো শিকার করে না।

-গবেষণায় দেখা গেছে, গড়ে ১০ থেকে ২০টি শিকার চেষ্টার পর একটি সফল শিকার করে থাকে বাঘ।

-বাঘের নাইটভিশন ক্ষমতা মানুষের চেয়ে অন্তত ছয়গুণ বেশি শক্তিশালী।

-বাঘের স্বাভাবিক জীবন চক্র ১০ থেকে ১৫ বছরের হয়ে থাকে। কখনও কখনও বাঘ ২৬ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকে।