ব্যাকস্টপ ছাড়াই ব্রেক্সিট চান বরিস জনসন

প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০১৯      

সমকাল ডেস্ক

নর্থ আয়ারল্যান্ড সীমান্তের ব্যাকস্টপ পরিকল্পনাকে 'অকার্যকর' এবং 'গণতন্ত্রবিরোধী' বলে দাবি করেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। একই সঙ্গে ব্যাকস্টপ বাতিলের দাবিও তুলেছেন তিনি। সোমবার ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টাস্ককে পাঠানো এক চিঠিতে এসব মন্তব্য করেছেন জনসন। তবে তার এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। খবর বিবিসির।

জনসনের দাবি, ব্যাকস্টপ থাকলে রক্ষণশীল সীমান্তের বিষয়টি হুমকিতে পড়বে। নর্থ আয়ারল্যান্ডের শান্তিপ্রক্রিয়া ঝুঁকিতে পড়বে। ব্যাকস্টপ বাতিল হলে ব্রেক্সিট চুক্তি অনায়াসে সংসদে পাস করিয়ে নিতে পারবেন বলেও দাবি করেন তিনি। তবে ইইউ বরাবর ব্যাকস্টপের পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়ে আসছে। কারণ ইইউ মনে করে, ব্যাকস্টপ বাতিল হলে নর্থ আয়ারল্যান্ডে ফের বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন শুরু হতে পারে।

জনসনের পূর্বসুরি তেরেসা মে ইইউর সঙ্গে ব্যাকস্টপ নিয়ে চুক্তিতে পৌঁছেছিলেন। যে প্রক্রিয়াতেই ব্রেক্সিট হোক না কেন, আয়ারল্যান্ড দ্বীপে একটি মুক্ত সীমান্ত রাখার প্রক্রিয়া বোঝাতে ব্যাকস্টপ শব্দটি ব্যবহূত হয়। এই দ্বীপের একটি অংশ স্বাধীন, যাকে রিপাবলিক অব আয়ারল্যান্ড বলে। অন্য অংশটি যুক্তরাজ্যের অন্তর্ভুক্ত, যা নর্থ আয়ারল্যান্ড নামে পরিচিত। ব্যাকস্টপের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যের অন্য অংশ ছাড়া শুধু নর্থ আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে রিপাবলিক অব আয়ারল্যান্ডের সীমান্তে কোনো কড়াকড়ি থাকবে না। অর্থাৎ, শুধু যুক্তরাজ্যের ওই সীমান্তেই ইইউর নিয়ম বলবৎ থাকবে। তবে জনসনসহ অন্য কট্টরপন্থিরা একে ব্রেক্সিটবিরোধী বলে মনে করেন।