নওগাঁর মহাদেবপুরে পছন্দের প্রতীক না পেয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পুলিশের ওপর হামলা করেছেন দুই স্বতন্ত্র (বিএনপি) প্রার্থী। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার রাইগাঁ ইউনিয়নের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।\হএ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত প্রার্থী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বর্তমান থানা বিএনপির সদস্য মোজাম্মেল হক ওরফে শরিফুল, রাইগাঁ ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য মাসুদ পারভেজ রুবেল এবং তাদের কর্মী সাইদুল ইসলাম, ফরিদুল ইসলাম ও মো. শামিমকে আটক করেছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ না থাকায় মুচলেকা নিয়ে আটকের ৫ ঘণ্টা পর থানা থেকে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

উপজেলার রাইগাঁ ইউনিয়নের স্বতন্ত্র তিন চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে মোজাম্মেল হক ওরফে শরিফুল, মাসুদ পারভেজ রুবেল ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী\হমঞ্জুরুল আলম মঞ্জু ঘোড়া প্রতীক চেয়ে সংশ্নিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করেন। একই প্রতীক চেয়ে\হতিন প্রার্থী আবেদন করায় রিটার্নিং কর্মকর্তা তার\হকার্যালয়ে সংশ্নিষ্ট সবার উপস্থিতিতে লটারি করেন। লটারিতে চেয়ারম্যান প্রার্থী মঞ্জুরুল আলম ঘোড়া প্রতীক পান। এ সময় মোজাম্মেল হক ও মাসুদ পারভেজ রুবেলের কর্মী-সমর্থকরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। তারা উত্তেজিত হয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অরুণ চন্দ্র রায় এবং সেখানে উপস্থিত কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালান। একপর্যায়ে তারা অফিসের আসবাবপত্র ভাঙচুরের চেষ্টা চালান। পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা\হহয় এবং তাৎক্ষণিক তাদের আটক\হকরা হয়।

প্রার্থী মোজাম্মেল হক জানান, ভুল বোঝাবুঝির কারণে এ ঘটনা ঘটেছে। অনাকাঙ্ক্ষিত এ ঘটনার জন্য তারা ক্ষমা চাইলে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা অরুণ চন্দ্র রায় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দুই প্রার্থী ভুল স্বীকার করায় তাদের ক্ষমা করা হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা যেন তারা আর না ঘটান, সে ব্যাপারে তাদের সতর্ক করা হয়েছে।

মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজম উদ্দীন মাহাবুব বলেন, অভিযুক্ত দুই প্রার্থীর কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য করুন