দিনাজপুরের সাবেক যুবলীগ নেতা খলিলুল্লাহ আজাদ মিল্টনের বিরুদ্ধে প্রতারণা, চাঁদাবাজি ও হয়রানির অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক ইউপি চেয়ারম্যানসহ আট ভুক্তভোগী। মঙ্গলবার দুপুরে দিনাজপুর প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন সদর উপজেলার আস্করপুর ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান, খানসামা উপজেলার বুলবুল হোসেন, নুর আলম, আশিকুল ইসলাম, গজেন্দ্রনাথ রায়, হেলাল, ফরহাদ হোসেন ও আব্দুর রাজ্জাক।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, জেলা প্রশাসকের সঙ্গে পরিচয় আছে- এমন কথা বলে খলিলুল্লাহ আজাদ মিল্টন খানসামার কাশিপুর বালুমহাল ডাক নিয়ে দেওয়ার কথা বলে ফরহাদ হোসেনের কাছ থেকে দুই লাখ ৭০ হাজার, জয়গঞ্জ বালুমহাল ইজারা নিয়ে দেওয়ার আশ্বাসে সাজেদুল ইসলামের কাছ থেকে চার লাখ এবং সরকারি অফিসে ভবন মেরামতের কাজ দেওয়ার কথা বলে আশিকুল ইসলামের কাছ থেকে এক লাখ ৭৫ হাজার টাকা নেন। এ ছাড়া মিল্টন ভয়ভীতি দেখিয়ে খানসামা উপজেলার আলোকঝাড়ী দোলাডাঙ্গা গ্রামের বুলবুল রহমান, জাহাঙ্গীরপুর হলদীডাঙ্গা গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক, জয়গঞ্জ ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের নুর আলমসহ কয়েকজনের কাছ\হথেকে টাকা নেন। এসব ঘটনায় থানায় ১৩টি মামলা করলেও কোনো সুবিচার পাননি তারা। উল্টো মিল্টন তাদের পুলিশের সোর্স আখ্যায়িত করে উচ্চ আদালতে পাল্টা মামলা করেছেন। এই মিথ্যাচারের কারণে তাদের মামলাগুলো ভিন্ন খাতে প্রবাহিত হতে পারে বলে মনে করেন তারা।

ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান বলেন, ২০১৯ আমাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। উচ্চ আদালত থেকে আমি নির্দোশ প্রমাণিত হয়েছি। এরপরও মিল্টন নিজেকে প্রশাসনের লোক পরিচয় দিয়ে আমাকে আবারও বরখাস্ত করার ভয়ভীতি দেখায়। ঝামেলা এড়াতে তাকে ৫০ হাজার টাকা দিই। পরে মিল্টন আমার বাড়িতে গিয়ে দুই লাখ টাকা নিয়ে যায়। এই ঘটনায় মামলা করেছি।\হমিল্টনের বিরুদ্ধে ১৪টি মামলা বিচারাধীন। সিআইডির মানি লন্ডারিং মামলায় ৩০ নভেম্বর তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

মন্তব্য করুন