ঈশ্বরদীতে ছেলের বাড়িতে মেয়েপক্ষের হামলার অভিযোগ

প্রকাশ: ০৯ অক্টোবর ২০১৭

ঈশ্বরদী প্রতিনিধি

ঈশ্বরদীতে জোর করে বিয়ে দেওয়ায় পালিয়ে গেছে এক যুবক। এ ঘটনার পর ছেলের পরিবারের সদস্যরা ওই মেয়েকে পুত্রবধূ হিসেবে মেনে না নেওয়ায় তাদের বাড়িতে ব্যাপক ভাংচুর চালানো হয়। উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়। শনিবার সন্ধ্যায় ইউনিয়নের চরমিরকামারী গাংমাথাল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় হাফিজুরকে প্রধান আসামি করে ঈশ্বরদী থানায় রোববার মামলা করা হয়েছে।
ওসি জানান, কিছুদিন আগে গাংমাথাল গ্রামের মো. মন্টু প্রামাণিকের ছেলে আ. রশিদের সঙ্গে একই গ্রামের সোনা সরদারের মেয়ে স্বর্ণা খাতুনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু কিছুদিন পর স্বর্ণাকে দাশুড়িয়া ইউনিয়নের আথাইল শিমুল গ্রামের এক ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়। ৩-৪ মাস সংসার করার পর স্বর্ণা বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করলে বিয়ে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে তাকে ফিরিয়ে আনা হয়। এরপর রশিদকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ৭ লাখ টাকা দেনমোহরে স্বর্ণার সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়। বিয়ের পরের দিনই পালিয়ে যায় রশিদ। এদিকে ছেলে ফিরে না আসা পর্যন্ত রশিদের পরিবার স্বর্ণাকে পুত্রবধূ হিসেবে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়। এসব ঘটনার জের ধরে শনিবার রাতে অর্ধশত সন্ত্রাসী বিভিম্ন অস্ত্র নিয়ে রশিদের বাড়িতে হামলা করে বাড়িঘরে ব্যাপক ভাংচুর করে। সে সময় তাদের দুটি ট্রাকও ভাংচুর করা হয়। খবর পেয়ে ঈশ্বরদী থানার ওসি আজিম উদ্দিন ও ছলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ বাবলু মালিথা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।