নদীর পাড়ের জমি কোনো ব্যক্তির নয় -নদী কমিশন চেয়ারম্যান

প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

জাতীয় নদী কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেছেন, নদী রক্ষায় নেওয়া প্রকল্পগুলো সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন না হলে কেউ রেহাই পাবে না। এর জন্য জেলেও যেতে হতে পারে। তাই সঠিক পরিকল্পনা ছাড়া নদী রক্ষায় কোনো প্রকল্প নেওয়া যাবে না। জেলার সব নদীর সীমানা সিএস রেকর্ড অনুযায়ী দিয়ারা জরিপ করে নির্ধারণ করা হবে। অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরি করে তা দ্রুত উচ্ছেদ করতে হবে। নদীর পাড়ের জমি কোনো ব্যক্তির নয়, নদীতীর রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের। আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে কেউ কেউ নদীর জমির মালিকানা পেয়েছেন। এর সঙ্গে যারা জড়িত রয়েছেন বা ছিলেন, তাদেরও আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। সোমবার দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ধলেশ্বরী নদীর খননকাজ নিয়ে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক এস এম ফেরদৌসের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় জাতীয় নদী রক্ষা কমিটির সদস্য মো. আলাউদ্দিন, প্রকল্প পরিচালক (৪৮ নদী খনন প্রকল্প) ইকরামুল হক, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী সাজিদুর রহমান, পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম, পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তা উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার, ধলেশ্বরী নদী বাঁচাও কমিটির সভাপতি আজাহারুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি গোলাম ছারোয়ার ছানু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ধলেশ্বরী নদী বাঁচাও কমিটির দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মানিকগঞ্জের কয়েকটি নদী পরিদর্শন করেন। সম্প্রতি ধলেশ্বরী নদীর সাটুরিয়া উপজেলার তিল্লি এলাকা থেকে সিংগাইর উপজেলার ইসলামনগর পর্যন্ত সাড়ে ৪৫ কিলোমিটার খনন করার জন্য ৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ঠিকাদার নিয়োগ দিয়ে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু নদীর হাইড্রোগ্রাফ সার্ভে না করে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ না করায় খননকাজ শুরু করতে দেওয়া হয়নি। সভায় আগামী এক মাসের মধ্যে এসব প্রক্রিয়া শেষ করে নভেম্বর মাসের মধ্যে কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত হয়।