বর্ষা মৌসুমেও নাব্য সংকট

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুট সচল রাখতে চলছে ড্রেজিং

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

শিবালয় (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ভরা বর্ষা মৌসুমে নাব্য সংকট দেখা দিয়েছে। এ কারণে গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে বিআইডব্লিউটিএর ড্রেজিং ইউনিট এ নৌরুটে ড্রেজিং করছে।

আরিচা বিআইডব্লিউটিএর অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ নৌরুটে বড় ফেরি স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে ৯ থেকে ১০ ফুট পানির গভীরতার প্রয়োজন। কিন্তু ভরা বর্ষা মৌসুমে উজান থেকে পলি এসে ফেরি চলাচলের চ্যানেল ভরে যাওয়ায় এখন এ নৌরুটের পাটুরিয়া চ্যানেলের ১ নম্বর ফেরিঘাটের বেসিনের গভীরতা কমে যাওয়ায় ড্রেজিং করা হচ্ছে।

এদিকে পাটুরিয়া ১ নম্বর ফেরিঘাটের বেসিনে নাব্য সংকট দেখা দেওয়ায় ঘাটে ফেরি ভিড়তে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। এ কারণে মধুমতি ও সোনালী-২ নামের দুটি ড্রেজার দিয়ে ড্রেজিং শুরু করা হয়েছে। এদিকে গত শনিবার থেকে দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় বিআইডব্লিউটিএর বিশখালী নামের একটি ড্রেজার দিয়ে পলি অপসারণ করা হচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিএর ড্রেজিং ইউনিটের নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান আহম্মেদ খান বলেন, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুট দেশের গুরুত্বপূর্ণ ঘাট। এ ঘাট রাজধানীর সঙ্গে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের যোগাযোগের একমাত্র রাস্তা। কিন্তু পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ঘাট দুটি এত গুরুত্বপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও সারাবছরই একটা না একটা সমস্যা লেগেই থাকে। এ নৌরুটে বর্ষা মৌসুমে নদীতে স্রোতের কারণে ফেরি চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি, শুস্ক মৌসুমে নদীতে নাব্য সংকটের কারণে ফেরি চলাচল ব্যাহত, শীত মৌসুমে ঘন কুয়াশায় ফেরি চলাচল বন্ধ থাকা এবং ফেরি স্বল্পতা থাকাসহ নানা সমস্যার কারণে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে চলাচলকারী দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার হাজার হাজার যাত্রীকে প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

আরিচা অফিসের বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী প্রকৌশলী নিজাম উদ্দিন পাঠান জানান, পাটুরিয়া ১ নম্বর ফেরিঘাটের বেসিনে পলি পড়ে নাব্য সংকটের কারণে পাটুরিয়ায় দুটি ও দৌলতদিয়ায় একটি ড্রেজার দিয়ে ড্রেজিং করা হচ্ছে ফেরি চলাচল সচল রাখার জন্য।