গলাচিপায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

স্বরূপকাঠিতে ধর্ষণচেষ্টা

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০১৯

গলাচিপা (পটুয়াখালী) ও স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর গলাচিপায় এক মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ ধর্ষিত ছাত্রীকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এ ছাড়া পুলিশ ওই মাদ্রাসাশিক্ষকের ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। ধর্ষক শিক্ষক পলাতক। থানা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষক শিক্ষক মোহাম্মদ ফরাজী (৪০) উপজেলার চরবিশ্বাস ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চরআগস্তি গ্রামের মৃত মকবুল ফরাজীর ছেলে। মোহাম্মদ ফরাজী একই ইউনিয়নের উত্তর চরবিশ্বাস গ্রামের নিজ বাড়িতে 'হাদিউল উম্মা মহিলা মাদ্রাসা' প্রতিষ্ঠা করে পরিচালনা ও শিক্ষকতা করে আসছে। আবাসিক এ মাদ্রাসায় বেশ কয়েকজন মেয়ে শিশুকে রেখে পড়ানো হয়। ধর্ষিত শিশুটি (১১) ওই মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। তার বড় বোন (১৪) একই মাদ্রাসার হেফজ বিভাগে পড়াশোনা করে। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ঘটনার দিন ২৯ জুন সকাল ৬টার দিকে শিক্ষক মোহাম্মদ ফরাজী শিশুটিকে বসতঘরের বারান্দায় ডেকে নেয় এবং ধর্ষণ করে।

এদিকে পিরোজপুর জেলার কাউখালীর ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী ৯৯৯-এ কল করে প্রতিবেশী আল-আমিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ করেছে। ধর্ষণচেষ্টার বিচারের দাবিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই স্কুলছাত্রী নিজেই ৯৯৯-এ কল করে এ অভিযোগ করে। এর সূত্র ধরে কাউখালী থানা পুলিশের এসআই মজিবর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মেয়েসহ অভিভাবকের সাক্ষাৎকার লিপিবদ্ধ করে। এরপরই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন।গত সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার বেকুটিয়া গ্রামের ওই স্কুলছাত্রীকে ঘরে একা পেয়ে প্রতিবেশী সুলতান হোসেনের ছেলে আল-আমিন দরজা বন্ধ করে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।