ইয়াসিরের অভিষেক

ঘরোয়া ক্রিকেটের নিয়মিত পারফরমার ইয়াসির আলী। এ বছর বাংলাদেশের প্রতিটি টেস্টের স্কোয়াডে ছিলেন তিনি; কিন্তু একাদশে জায়গা হয়নি। বদলি ফিল্ডার হিসেবে মাঠে নেমে লুফে নেন ছয়টি ক্যাচও। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার চট্টগ্রাম টেস্ট দিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে অভিষেক হলো তার। টেস্ট দিয়ে শুরু তার জাতীয় দলের পথচলা। লিস্ট 'এ'-তে ৭৭ ম্যাচ খেলে করেছেন ১৮৭৮ রান। সর্বোচ্চ অপরাজিত ১০৬ রান। সেঞ্চুরি করেন দুটি আর হাফসেঞ্চুরি করেন ১১টি।

১৪ চক্রে প্রথম তিন

বাংলাদেশের প্রথম তিন ব্যাটার যেন ১৪ সংখ্যাটার চক্রে পড়েছেন। সাদমান ইসলাম, সাইফ হাসান ও নাজমুল হোসেন শান্ত কাকতালীয়ভাবেই এই ১৪ থেকে বের হতে পারেননি। তিনজনই ১৪ রান করে মোট ৪২ করেছেন। সময়টা ভালো যাচ্ছে না সাইফের। টি২০-তে ছিলেন একেবারে মলিন। দুই ম্যাচে করেন এক রান। এবার টেস্টেও তার রানের চাকা ঘুরল না। ১৪ রান করে শাহিন আফ্রিদির বলে আবিদ আলির হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন। শুরুতে তার উইকেট হারিয়ে ধাক্কা খাওয়ার পর সাদমান পা দেন হাসান আলির এলবির ফাঁদে। শান্তও একই পথের পথিক হয়েছেন।

নোমানের হতাশা

প্রথম দিন বাংলাদেশের চার উইকেটের পতন হয়। যে চারটি উইকেট সমানভাবে ভাগ করে নেন পাকিস্তানের চার বোলার শাহিন আফ্রিদি, হাসান আলি, ফাহিম আশরাফ, সাজিদ খান। কেবল নোমান আলিই হতাশ হয়েছেন। ২২ ওভার বোলিং করে পাননি কোনো উইকেট। যেখানে সবচেয়ে কম রান খরচ করে এক উইকেট নেন শাহিন আফ্রিদি। ১৮ ওভার বোলিং করে ৫০ রান দেন এই পাকিস্তানি পেসার। অবশ্য টেস্টে নোমানের যাত্রাটা বেশিদিনের নয়। এ বছরের শুরুতে করাচিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অভিষেক হয়েছিল তার। এই ম্যাচের আগে পাঁচটি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। যেখানে তার উইকেট সংখ্যা ১৯টি। বোঝাই যাচ্ছে, তিনি অতটা বাজে বোলিং করেন না।

প্রথম দিনেই ৩০ বাউন্ডারি

টেস্ট তাতে কি, বাউন্ডারি কিন্তু ভালোই হাঁকিয়েছেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। প্রথম দিন ২৫৩ রানের মধ্যে ছিল ৩০টি বাউন্ডারির মার। যেখানে চারের সঙ্গে ছক্কাও দেখেছেন দর্শকরা। সবচেয়ে বেশি ১১টি চার হাঁকান সেঞ্চুরি করা লিটন দাস। এরপর ১০টি চার আসে মুশফিকুর রহিমের ব্যাট থেকে। একমাত্র ছক্কাটি হাঁকিয়েছেন লিটন। এ ছাড়া তিনটি চার সাদমান, তিনটি সাইফ আর দুটি চার মারেন নাজমুল হোসেন শান্ত। সব মিলিয়ে ২৯টি চার ও একটি ছক্কা থেকে মোট ১২২ রান পায় বাংলাদেশ।

মন্তব্য করুন