আগের তিন টি২০-তে পান এক উইকেট। সোমবার এক ম্যাচেই আরও তিন উইকেট। তাতে চারে চারও মিলে গেল মহেশ টিকসানার। বিশ্বকাপে খেলা সবারই স্বপ্নের। মহেশের কাছেও এর ব্যতিক্রম নয়। গত সেপ্টেম্বরে কলম্বোয় দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে চার-ছক্কার ক্রিকেটে অভিষেক হয় তার। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে সেভাবে উইকেট শিকার না করলেও রান খরচায় ছিলেন বেশ কিপটে। তার ফলও পেলেন বিশ্বকাপে লঙ্কান দলে ডাক পেয়ে। গতকাল টি২০ বিশ্বকাপে নিজেদের যাত্রা ম্যাচে নামিবিয়াকে ৯৬ রানে আটকাতে বড় অবদান এই মহেশের। ৪ ওভার বোলিং করে দিয়েছেন মোটে ২৫ রান, নিয়েছেন ৩ উইকেট। নামিবিয়ার এই স্বল্প পুঁজি টপকাতে সেভাবে কোনো বেগই পেতে হয়নি শ্রীলঙ্কার। ১৩.৩ ওভারে ১০০ রান করে ৭ উইকেটের সহজ জয় তুলে নেয় লঙ্কানরা।\হদক্ষিণ-পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নামিবিয়ার মানুষের পছন্দের খেলা ফুটবল। যদিও সেখানে তাদের অর্জনের পাল্লা একেবারে হালকা। রাগবিতে কিছুটা চমক দেখালেও সেভাবে নাম কুড়াতে পারেনি। আর ক্রিকেট নিয়ে স্বপ্ন দেখা শুরু; সে তো নব্বইয়ের দশক থেকে, তাই খুব একটা জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারেনি এখনও। এর পেছনে অবশ্য মূল কারণটা তাদের অর্জনের খাতা শূন্য। বড় মঞ্চের ট্রফি জেতা দূরে থাক, টিকিট কাটাই যখন আরাধ্যের প্রাপ্তি। এবার টি২০ বিশ্বকাপে নাম লেখাতে পেরে তাই মহাখুশি নামিবিয়া। সেখানে তাদের বোলাররা যে ২৬ রানের মধ্যে লঙ্কার ৩ উইকেট ফেলে দিয়েছিল, তাতে তৃপ্তি মেশানো ছিল অনেকটাই। তবে আতঙ্ক ছড়াতে পারেনি তারা। লঙ্কান ব্যাটার আভিশকা ফার্নান্দো (৩০) আর ভানুকা রাজাপাকসে (৪২) অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। এখন দেখার অপেক্ষা বিশ্বকাপের মহামঞ্চে বাকি দুটো ম্যাচে (আয়ারল্যান্ড আর নেদারল্যান্ডস) কতটা আলো ছড়াতে পারে এই নামিবিয়া। টস জিতে বোলিংয়ে নেমে ২৯ রানে দুই উইকেট তুলে নেন শ্রীলঙ্কার বোলাররা। ক্রেইগ উইলিয়ামস ২৯ রান করেই ফেরেন সাজঘরে। লোয়ার অর্ডারের শেষ পাঁচজনের কেউই দুই অঙ্কের ঘরে পা রাখতে পারেননি।

মন্তব্য করুন