নারী হকি সিরিজ

বড় হারে শুরু

প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০১৯

ক্রীড়া প্রতিবেদক

ভারতের নারী একাডেমি দল প্রস্তুতি নিয়েছে তিন বছর। আর বাংলাদেশের নারী অনূর্ধ্ব-২১ দলের প্রস্তুতি মাত্র তিন মাসের। এই পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে শক্তির ব্যবধান কতটা। গতকাল মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে ছয় ম্যাচের প্রথম প্রস্তুতি সিরিজে ভারতের সাই-ন্যাশনাল হকি একাডেমি নারী দলের কাছে ৬-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। কিন্তু এই হারেও আছে প্রাপ্তি। অনঅভিজ্ঞ এবং শারীরিক শক্তিতে ভারতের চেয়ে পিছিয়ে থাকা সাদিয়া খানমরা শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছেন। শিষ্যদের এমন লড়াইয়ে খুশি সহকারী কোচ হেদায়েতুল ইসলাম রাজীব, 'মেয়েদের পারফরম্যান্সে আমি খুশি। কয়েক মাস হয়েছে প্রস্তুতি নিয়েছে। হকিতে ছয় গোল হতেই পারে, এটা কোনো ব্যাপার না। এটা মানতে হবে ভারতের একাডেমি নারী দল ফিজিক্যালি অনেক শক্তিশালী।' আগামীকাল একই স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২১ নারী দল।

গত বছরের নভেম্বরে ঢাকা একাদশের নামে কলকাতার অ্যাথলেটিকো ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে তিনটি ম্যাচ খেলেছিল বাংলাদেশ। ২-১-এ সিরিজ জিতে ইতিহাস গড়েছিলেন মেয়েরা। সেই দলের চেয়ে ভারতের একাডেমি নারী দলটা অনেক শক্তিশালী। সেটা ফুটে ওঠে পুরো ম্যাচেই। তবে প্রথম কোয়ার্টারে নিজেদের গোলপোস্ট অক্ষত রাখেন মেয়েরা। প্রথম ১৫ মিনিটে ভারতের দলটি ছয়টি পেনাল্টি কর্নার আদায় করেন। সবই ফিরিয়ে দেন বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা। বিশেষ করে গোলরক্ষক স্বর্ণা অনেক সেভ করেন। সব মিলিয়ে ১০টির মতো পিসি পাওয়া ভারতের একাডেমি দল একটিও গোল করতে পারেনি। তাদের প্রথম গোলটি পেনাল্টি স্ট্রোকে। সেটা দ্বিতীয় কোয়ার্টারে। ১৭ মিনিটে পেনাল্টি স্ট্রোক থেকে গোল করেন ভিনাম্রাতা যাদব। এই কোয়ার্টারেই তিনটি গোল আদায় করেন অতিথিরা। ২৪ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করেন লালাওয়ান পুলি। চার মিনিট পর তৃতীয় গোল করেন ভিনাম্রাতা। তৃতীয় কোয়ার্টারে গিয়ে আরও দুই গোল হজম করে স্বাগতিকরা। সবচেয়ে মজার বিষয় হলো, থার্ড কোয়ার্টারের শেষ পাঁচ মিনিট গোলরক্ষক ছাড়াই খেলেছে ভারতের দলটি। তখন একজন ফরোয়ার্ড বেশি নামায় তারা। এই অর্ধে গোল করেন তানিয়া এবং লতিয়া ম্যারি। শেষ কোয়ার্টারে লড়াই করে বাংলাদেশ। যে কারণে একটির বেশি গোল করতে পারেনি ভারতের একাডেমি নারী দল। গোলদাতা লালরুয়াতফেলি।