তৃতীয় দিন ডিন এলগার ৩৯ আর ফাফ ডু প্লেসিস তার ব্যক্তিগত সংগ্রহটা ৩৪-এর ঘরে রেখে নিরাপদেই মাঠ ছাড়েন। চতুর্থ দিন অসি বোলারদের নাজেহাল বানিয়ে এলগার খেলেছেন ৮১ রানের ইনিংস। প্লেসিসের ব্যাট থেকে এসেছে ১২০ রান। অস্ট্রেলিয়ার এক প্যাট কামিন্স ছাড়া কেউই সুবিধা করতে পারেননি। শেষমেশ ৬ উইকেটে ৩৪৪ রান তুলে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে দক্ষিণ আফ্রিকা। জয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার টার্গেট গিয়ে দাঁড়ায় ৬১২ রান। জবাবে চতুর্থ দিন শেষে সফরকারীরা ৩ উইকেটে ৮৮ রান সংগ্রহ করেছে। আজ শেষ দিনে ৭ উইকেট হাতে রেখে আরও ৫২৪ রান করতে হবে অসিদের।

এর আগে ৩ উইকেটে ১৩৪ রান নিয়ে চতুর্থ দিন শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকা। এলগার ও প্লেসিস মিলে দলকে ১৭০ রানের বড়সড় সংগ্রহ পাইয়ে দেন। এ জুটি ভাঙার পর ব্যাট হাতে ২২ গজে পা রাখেন টেম্বা বাভুমা। তিনি খেলেছেন ৩৫ রানের অপরাজিত ইনিংস। তাকে সঙ্গ দিয়ে নিজের উইকেট জিইয়ে রাখা ভারনন ফিলান্ডার করেছেন ৩৩ রান। তবে চার নম্বরে ব্যাট করতে নামা এবি ডি ভিলিয়ার্স নাম লেখান ব্যর্থতার খাতায়। মাত্র ৬ রান করে কামিন্সের বলে টিম পেইনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। প্রথম ইনিংসে ৪৮৮ রান সংগ্রহ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে পেইন, উসমান খাজা ও কামিন্সের ব্যাটে ভর করে প্রথম ইনিংসে মোটে ২২১ রান তোলে অস্ট্রেলিয়া। অধিনায়ক পেইনের সঙ্গে ৯৯ রানের জুটি গড়েন কামিন্স। প্রথম ইনিংসের বোলিংয়ে ৫ উইকেট নেওয়া এ পেসার আউট হন ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি করে। তার মতো টেল এন্ডারের আরও কেউ যদি দাঁড়াতে পারতেন, পেইন হয়তো দলীয় সংগ্রহকে বাড়িয়ে নিতে পারতেন আরও একটু। তবে সঙ্গী না থাকায় আর পারেননি। প্রথম ইনিংসে ২৬৭ রানের লিড থাকায় অস্ট্রেলিয়াকে ফলোঅন করানোর সুযোগ ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। তবে প্লেসিস সেই সুযোগ কাজে লাগাননি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
দক্ষিণ আফ্রিকা :৪৮৮, ৩৪৪/৬ ডি. (বাভুমা ৩৫*, ফিলান্ডার ৩৩*, এলগার ৮১, ডু প্লেসিস ১২০, মার্করাম ৩৭; কামিন্স ৪/৫৮)।
অস্ট্রেলিয়া : ২২১ ও ৮৮/৩ (বার্নস ৪২, হ্যান্ডসকম্ব ২৩*; মরকেল ২/১৮)।

মন্তব্য করুন