ফাইভজির সম্ভাবনা বৃদ্ধির পাশাপাশি মোবাইল খাতকে এগিয়ে নিতে 'মোবাইল ব্রডব্যান্ড ফোরাম ২০২১' শীর্ষক সম্মেলন আয়োজন করছে হুয়াওয়ে। সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন গতকাল 'গ্রিন ফাইভজি নেটওয়ার্ক ফর আ লো-কার্বন নেটওয়ার্ক' বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন হুয়াওয়ের নির্বাহী পরিচালক ও ক্যারিয়ার বিজনেস গ্রুপের প্রেসিডেন্ট রায়ান ডিং। অনুষ্ঠানে দ্রুত ডাটা ট্রাফিক বৃদ্ধির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পুরো শিল্প খাতের পাওয়ার সাপ্লাই, বিতরণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় উদ্ভাবন চালিয়ে যাওয়া এবং একই সঙ্গে উচ্চ পারফরম্যান্স ও কম জ্বালানি খরচে পরিবেশবান্ধব ফাইভজি নেটওয়ার্কও গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

ডিং বলেন, সৌদি আরব, গ্রিস, পাকিস্তান, সুইজারল্যান্ডসহ শতাধিক দেশে হুয়াওয়ে লো-কার্বন সাইট সলিউশন স্থাপন করেছে, যা অপারেটরদের ৪০ মিলিয়ন টন কার্বন ডাইঅক্সাইড নিঃসরণ হ্রাসে সহায়তা করছে। টেলিযোগাযোগ খাতের প্রতিষ্ঠান হিসেবে সবুজ বিপ্লবকে কেন্দ্র করেই হুয়াওয়ে সব কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং সবুজবান্ধব ফাইভজি নেটওয়ার্ক তৈরিতে বিশ্বজুড়ে অপারেটরদের সঙ্গে উদ্ভাবনী সমাধান নিয়ে কাজ করে।

ডিংয়ের মতে, যেসব দেশে ফাইভজির দ্রুত উন্নয়ন ঘটছে ও অপারেটররা এ ক্ষেত্রে বেশি পরিমাণে বিনিয়োগ করছে, তারা এর সুফলও পাচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ফাইভজি পেনিট্রেশন ২০ শতাংশে পৌঁছালে এ প্রযুক্তির বিকাশ আরও দ্রুত হবে। চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও কুয়েতের মতো দেশগুলোতে অপারেটররা ব্যবহারকারীদের দ্রুত দেশব্যাপী কভারেজ প্রদান ও নিরবচ্ছিন্ন সেবা প্রদান করছে।

তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে প্রত্যেক ব্যবহারকারীর মাসিক ডাটা ট্রাফিক ৬০০ জিবিতে পৌঁছাবে। আর বিদ্যমান নেটওয়ার্কগুলোর সক্ষমতা যদি একই রকম থেকে যায়, তবে ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কের জ্বালানি খরচ ১০ গুনেরও বেশি বৃদ্ধি পাবে। ডিং বলেন, আইসিটি শিল্পের গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন ৪৫ শতাংশ কমাতে উচ্চ পারফরম্যান্স ও কম জ্বালানি খরচের গ্রিন নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে অপারেটরদের বিদ্যমান পাওয়ার সাপ্লাই, বিতরণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় উদ্ভাবন চালিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।

মন্তব্য করুন