বর্তমান সময়ে জনপ্রিয় হচ্ছে ই-কমার্সের মাধ্যমে পণ্য বেচাকেনা। এসব পণ্যের প্রচারণার জন্যও ব্যবহূত হচ্ছে অনলাইন। এক্ষেত্রে তৈরি হচ্ছে আলাদা একটি কাজের ক্ষেত্র 'ডিজিটাল মার্কেটিং'। অনলাইনে কাজের মাধ্যমে ঘরে বসেই অর্থ উপার্জন সম্ভব। এই সম্ভাবনাময় ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে আগ্রহ বাড়ছে তরুণদের। গতকাল শনিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে অনুষ্ঠিত হলো 'ডিজিটাল মার্কেটিং ফর ফিউচার' শীর্ষক এক সেমিনার। সেখানে বক্তারা ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে কথা বলেছেন। পথ দেখিয়েছেন ভবিষ্যতে অনলাইনে আয়ের। ডিজিটাল উপার্জনের এ খাতটিকে বলা হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব রাশেদুল ইসলাম। মার্কেটেভার বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা আল-আমিন কবির সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। আলোচনায় অংশ নেন ডেভসটিম লিমিটেডের সহ-প্রতিষ্ঠাতা নাসির উদ্দিন শামীম এবং বিজস্কোপের প্রতিষ্ঠাতা নাহিদ হাসান। রাশেদুল ইসলাম বলেন, সরকারের ৫ বিলিয়ন ডলার আইসিটি এক্সপোর্টের জন্য তরুণরাই কাজ করবে। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য তরুণদের সব ধরনের সহযোগিতা দেবে আইসিটি ডিভিশন। নাসির উদ্দিন শামীম বলেন, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে কাজ করতে গেলে অনেকেই হীনমন্যতায় ভোগেন। এর অন্যতম কারণ সম্পর্কে কম জানা। এর জন্য নতুন বিষয়ে কাজ করতে হবে। অন্যদিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। জাহিদ হাসান বলেন, কাজ অবশ্যই ভালো শিখে সেটার ওপর নিজের দক্ষতা বাড়াতে হবে। এমন কাজ করতে হবে, যার মাধ্যমে সারা বছরই লাভবান হওয়া সম্ভব। লক্ষ্য ঠিক থাকলে এবং নিয়মিত কনটেন্ট দিলে সফলতা আসবে। বক্তারা জানান, অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বর্তমান সময়ে তরুণদের মাঝে বেশ সাড়া ফেলেছে। অনেকেই আগ্রহী হচ্ছেন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে।

হতৌহিদুল ইসলাম তুষার

মন্তব্য করুন