৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকীর স্মরণসভায় মোছলেম উদ্দিন

জহুর আহমেদ ছিলেন আদর্শ রাজনীতিক

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০১৯      

 জহুর আহমেদ ছিলেন আদর্শ রাজনীতিক

জহুর আহমেদ চৌধুরীর কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান শ্রমিক লীগ নেতারা- সমকাল

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদ বলেছেন, 'ত্যাগ ও আপসহীনতার রাজনীতিতে জহুর আহমেদ চৌধুরী আমাদের আদর্শিক বিশ্বাসের রাজনৈতিক শিকড়। বহুবিধ গুণাবলির অধিকারী এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব উপমহাদেশের শ্রম আন্দোলনের অগ্রদূত। স্বভাব-শিক্ষিত এ আদর্শিক মানুষটি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাহচর্যে এসে সত্যিকার অর্থে একজন গণমানুষের নেতা হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছিলেন।'

শ্রমিক আন্দোলনের অগ্রদূত, চট্টগ্রাম শহর আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর, মুক্তিযুদ্ধকালীন ইস্টার্ন জোনের চেয়ারম্যান এবং সাবেক মন্ত্রী মরহুম জহুর আহমেদ চৌধুরীর ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি কথাগুলো বলেছেন।

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও প্রয়াত নেতা জহুর আহমেদ চৌধুরীর সন্তান মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, 'জহুর আহমেদ চৌধুরী একজন ষোলআনা খাঁটি রাজনীতিক। তাই তার সাথে পরিবারের বন্ধন আলগা থাকলেও তার সন্তান হিসেবে আমি গৌরববোধ করি। তিনি কখনও অর্থবিত্তের জন্য রাজনীতি করেননি। মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গণমানুষের মুক্তি অর্জনই ছিল তার আরাধ্য স্বপ্ন।' চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ সালাম বলেন, 'এখন ত্যাগী নেতাকর্মীরা নিজেরাই হাইব্রিডদের করুণানির্ভর হয়ে পড়েছেন।' চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান বলেন, জহুর আহমেদ চৌধুরীর আওয়ামী রাজনীতির পুরোধা ব্যক্তিত্ব। আমরা বর্তমান প্রজন্মের রাজনীতিকরা তার সাহচর্য পাইনি। তবে তারই হাতে গড়ে ওঠা মরহুম এম.এ.মান্নান ও এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর সাহচর্যে এসে সঠিক রাজনীতির দীক্ষা নেওয়ার সুযোগ ঘটেছে।

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এম রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, জহুর আহমেদ চৌধুরীর মতো ক্ষণজন্মা রাজনীতিবিদের চট্টগ্রামে জন্ম হয়েছিল বলেই চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগ আজ সুপ্রতিষ্ঠিত। শফিকুল ইসলাম ফারুকের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন নঈম উদ্দিন চৌধুরী, মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, এম জহিরুল আলম দোভাষ, মো: ইদ্রিছ, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, মো: আবুল কালাম আজাদ, হারিস চৌধুরী, নোমান আল মাহমুদ, চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, এ.টি এম পেয়ারুল ইসলাম, প্রদীপ কুমার দাশ, অমল মিত্র, মোহাম্মদ ইউনুছ, মো: গিয়াস উদ্দিন। বিজ্ঞপ্তি