মনে মনে

প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯      

মনে পড়ে মাঝে মাঝে

খুলনা বিভাগের পাইকগাছা উপজেলায় ছোটবেলায় আমার মেজো ফুফুর সঙ্গে বেশ কয়েক বছর কাটিয়েছি। স্থান হচ্ছে, ওই থানার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা পুলিশদের আবাসিক এলাকা। জায়গাটি চমৎকার। সামনে শিবসা নদী ও পেছনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিশাল মাঠ। এবং অন্য পাশে কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের মাইক থেকে সুমধুর পবিত্র আজানের ধ্বনি কর্ণকুহরে এসে পৌঁছাত! আর মধ্যখানে অবস্থিত প্রিয় পুকুরে আমরা ইচ্ছামতো সাঁতার দিতাম।

ডলি তার মা-সহ ভিন্ন অংশে ধনী পরিবার তথা কাজীবাড়িতে থাকত। ওর আব্বার সম্ভবত সে গর্ভে অবস্থানকালেই মৃত্যু ঘটেছে। আমরা ২ জন মানে, ডলি আর আমি ছিলাম সমবয়সী। তো, তার সঙ্গে সখ্য গড়েছিলাম, সময় পার করতাম। ও ছিল দারুণ মিষ্টি মেয়ে। চেহারা চাকমা উপজাতির মতো। আজ আমি বড় হয়েছি। তবে, জানি না কোথায় আছে ডলি? মনে পড়ে মাঝে মাঝে সেসব কথা। হঠাৎ থমকে যায় তখনই আমার ভাবনার জগৎ!

শিমুল, কপোতাক্ষ, সাতক্ষীরা

তোমাকে বলছি

প্রিয়, তোমাকে যে কথাটা বলতে চাই, সে কথাটা মুখে বলতে পারছি না। তাই এই চিঠির আশ্রয় নিতে হলো। কোচিংয়ে প্রথম আমাদের দেখা। সেই থেকে ভালো লাগা শুরু হয়। প্রতিদিন ভাবতাম, তোমার সামনে গিয়ে তোমার সঙ্গে কথা বলব, কিন্তু ভয়ে পারিনি। দীর্ঘ এক বছর পর সে অপেক্ষার অবসান হলো। অনেক সাহস করে কোনো এক শনিবার বিকেলে যখন তোমার সঙ্গে প্রথম কথা বলি, তখন আমার হাত-পা দুটোই ঝিরঝির করে কাঁপছিল। সে যাই হোক, আমরা এখন খুব ভালো বন্ধু এবং আশা করি আজীবন থাকব। তোমার সঙ্গ আমি কখনও হারাতে চাই না। তোমার বন্ধুত্ব হারিয়ে ফেলব, এ ভয়ে আমি কিছু কথা অনেক দিন থেকে তোমাকে বলতে পারছি না। ভালোবাসা প্রকাশের সঠিক ভাষাটা আমার জানা নেই। এজন্য আচরণে হয়তো প্রকাশ পায়নি। তবে সত্যি কথা বলতে, আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি। এই রাতে আকাশের সব তারা, চাঁদকে সাক্ষী রেখে বলতে চাই, আমি তোমাকে ভালোবাসি।

রাহাত, মুন্সীগঞ্জ