ফতুল্লায় গত শুক্রবার মিশুকচালক সুজন ফকিরকে প্রকাশ্যে গলা কেটে হত্যায় জড়িত দু'জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছে, মামাতো ভাইয়ের স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল সুজনের। এ কারণে আবদুল মজিদের পরিকল্পনায় তাকে খুন করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলো আবদুল মজিদ ও তার ভাতিজা মজজেম হোসেন। রোববার রাতে নাটোরের বাগাতিপাড়া থানার ডুমরাই সরকারপাড়া গ্রাম থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। র‌্যাব জানায়, মজজেম ও তার খালাতো ভাই হাসান হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়। হাসান পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। সোমবার দুপুরে র‌্যাব-১১ সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজীর প্রধান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানভীর মাহমুদ পাশা এসব তথ্য জানান।

তিনি জানান, সুজন পরিবার নিয়ে ফতুল্লার নবীনগরে ভাড়া থাকতেন। মজিদও ফতুল্লায় বসবাস করেন। তাদের গ্রামের বাড়ি নাটোর। সম্পর্কে তারা মামাতো-ফুফাতো ভাই। মজিদের স্ত্রীর সঙ্গে সুজনের সম্পর্ক ছিল। শুক্রবার সকালে সুজনকে ফোন করে মজিদ মজজেমের সঙ্গে দেখা করতে বলেন। সুজন মজজেমের সঙ্গে দেখা করেন। মজজেম সুজনকে মিশুক নিয়ে বেরুতে বলে। হাসান মিশুকের পেছনে উঠে বসে। তারা ফতুল্লার নয়াবাজার মুসলিমনগরে পৌঁছলে সুজনের গলায় ছুরি চালায় মজজেম।

র‌্যাব-১১'র অধিনায়ক আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডের সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। পরে র‌্যাব-১১'র একটি দল র‌্যাব-৫-এর সহায়তায় নাটোর থেকে মজিদ ও মজজেমকে গ্রেপ্তার করে।

মন্তব্য করুন