পটুয়াখালীর গলাচিপায় পৌর মেয়র প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। রোববার সন্ধ্যায় পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি হেলাল উদ্দিন খলিফা ও পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য চিত্তরঞ্জন দাস এ সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে হেলাল উদ্দিন খলিফা অভিযোগ করেন, গত ১৪ অক্টোবর পৌরসভা তফসিল হওয়ার পরই তাড়াহুড়া করে ১৬ তারিখ উপজেলা আওয়ামী লীগ পৌর আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভার আয়োজন করে। সেখানে পৌর মেয়র পদের জন্য চারজন স্থানীয় দলীয় মনোনয়নপত্র কেনেন। বর্ধিত সভার আগের রাতে মেয়র প্রার্থী মোফাজ্জেল হোসেন মাসুদ পৌর আওয়ামী লীগের সদস্যদের মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ৭২ ভোটের মধ্যে ৩৭ ভোট বাগিয়ে নেন।

হেলাল উদ্দিন খলিফা মোফাজ্জেল হোসেনের বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র না হয়েও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরিচয় দেওয়া, চাঁদাবাজি, শিক্ষা ভবনে টেন্ডরবাজি, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি-বাণিজ্য ও মাসুদ তার গাড়িতে পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্যের স্টিকার ব্যবহার করার অভিযোগ করেন।

অন্যদিকে, রোববার সন্ধ্যায় পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য চিত্তরঞ্জন দাস তার নিজ বাসায় সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে চিত্তরঞ্জন দাস বলেন, রাতের আঁধারে টাকা লেনদেন ভিত্তিহীন।

গলাচিপা উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও পৌর মেয়র আহসানুল হক তুহিন বলেন, পৌর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ভোট কেনা হয়েছে। তার পক্ষে ভোট নিশ্চিত করার জন্য ব্যালট পেপারে সিরিয়াল নম্বর দেওয়া হয়েছে। ভোট চলাকালে তিনি ব্যালট পেপার দেখতে চাইলে দেখানো হয়নি।

এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মেয়র প্রার্থী মোফাজ্জেল হোসেন মাসুদ সাংবাদিকদের বলেন, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতির বক্তব্য ভিত্তিহীন। ১৬ বছর আগে তাদের হাতে এই কমিটি করা তার ভাতিজা আহসানুল হক তুহিনের জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ায় এসব মিথ্যা অভিযোগ তুলছেন।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা টিটো বলেন, বর্ধিত সভার তারিখ নির্ধারণ ও পরিচালনা করেছে জেলা আওয়ামী লীগ। আমরা তাদের সহযোগিতা করেছি।

মন্তব্য করুন