উপজেলার ১নং উথুরা ইউনিয়নের এক গৃহবধূকে মাদ্রাসাশিক্ষক ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গত বুধবার দুপুরে ওই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অভিযোগকারী গৃহবধূ ও অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষককে নিয়ে ইউপি কার্যালয়ে সালিশে বসেন। একটানা রাত ৮টা পর্যন্ত সালিশ করেও বিষয়টির কোনো সুরাহা না করতে পারায় উপস্থিত এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে ইউপি কার্যালয় ঘেরাও করে দুই ঘণ্টা বিক্ষোভ করে।

খবর পেয়ে মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ওই ইউপি চেয়ারম্যান বজলুর রহমান তালুকদারকে উদ্ধার করে এবং অভিযোগকারী গৃহবধূ ও অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষককে পুলিশি হেফাজতে নেয়। রাতে ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মডেল থানায় মামলা করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার হাতিবেড় গ্রামের এক গৃহবধূ স্থানীয় উলুমুল কোরআন আদর্শ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা সিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে ১নং উথুরা ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান বজলুর রহমানের কাছে ধর্ষণের মৌখিক অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ওই নারী ও সিদ্দিকুর রহমানকে নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান বজলুর রহমান তার কার্যালয়ে সালিশে বসেন। দীর্ঘ আট ঘণ্টায় কোনো সমাধান না হওয়ায় সন্ধ্যার পর উপস্থিত জনতা ইউপি কার্যালয় ঘেরাও করে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে চেয়ারম্যানকে উদ্ধার করে এবং নারী ও মাওলানা সিদ্দিকুর রহমানকে পুলিশি হেফাজতে নেয়। রাতে ওই নারী বাদী হয়ে সিদ্দিকুর রহমানের নামে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে উথুরা ইউপি চেয়ারম্যান বজলুর রহমান তালুকদারের মোবাইল ফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তা সম্ভব হয়নি।

ভালুকা মডেল থানার ওসি মাহমুদুল ইসলাম বলেন, ওই

নারী ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা করেছেন। এ মামলায় মাদ্রাসাশিক্ষক সিদ্দিকুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বিষয় : ধর্ষণের সালিশ

মন্তব্য করুন