ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও রাজবাড়ীতে সংঘর্ষে আহত ৩৯

প্রকাশ: ২৩ মে ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও রাজবাড়ী প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে রাস্তার জায়গা নিয়ে বিরোধের জের ধরে দু'দল গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ৩০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার সকালে উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের প্রত্যন্ত শোলাবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় সাতটি বাড়ি ভাঙচুর করা হয়।

এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, শোলাবাড়ি গ্রামের দানা মিয়ার সঙ্গে বাড়ির রাস্তার জায়গা নিয়ে প্রতিবেশী মলাই মিয়ার দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে একাধিকবার এলাকায় সালিশ হয়। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে ইউপি চেয়ারম্যান শুক্রবার সকালে বিষয়টি সালিশের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করে দেওয়ার কথা বলে তাদের নিবৃত্ত করেন। গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান দ্বীন ইসলাম, সংশ্নিষ্ট ইউপি সদস্য দুলাল মিয়াসহ এলাকাবাসী সালিশে বসেন। সকালে সালিশের একপর্যায়ে উভয়পক্ষের লোকজন দেশি অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে ৩০ জন আহত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আহতদের মধ্যে আব্দুল আজিজ, মুসা মিয়া, জাকির মিয়া, জুয়েল মিয়া, জুয়েল হোসেন, আব্দুর রউফ, আবু বক্কর, আক্তার হোসেন, কুদ্দুস মিয়া ও কবীর হোসেনকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি ও অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় দু'জনকে ঢাকায় পাঠানো হয়।

এ ব্যাপারে সরাইল থানার ওসি মুহাম্মদ নাজমুল আহমেদ বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। এ ঘটনায় এখনও থানায় কোনো পক্ষ মামলা দায়ের করেনি।

এদিকে, রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলায় ফেসবুকে এক ব্যক্তির ছবি ব্যবহার করে আপত্তিকর পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই দফা সংঘর্ষে নয়জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার নারুয়া ইউনিয়নের পাটকিয়াবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে আহতরা হলেন মতিয়ার রহমান, লাবলু শেখ, শহীদ শেখ, শাহামত মণ্ডল, তছিরন বেগম, রাকিব, বাচ্চু কাজী, আহাদ আলী শেখ ও মোহন শেখ। তাদের মধ্যে তিনজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য বিল্লাল হোসেন বলেন, উভয়পক্ষকে শান্ত থাকতে বলা হয়েছে। সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করা হবে।

বালিয়াকান্দি থানার ওসি একেএম আজমল হুদা জানান, সংঘর্ষের কথা তিনি শুনেছেন।