মঠবাড়িয়ার দাউদখালী ইউনিয়নের যুবলীগ সভাপতি শহীদ সরদারকে শনিবার রাতে প্রতিপক্ষ কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে। এ সময়ে তাকে বাঁচাতে এলে তার বড় ভাই বাচ্চু সরদারকেও কোপানো হয়। স্থানীয়রা আহত দুই সহোদরকে উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠান। শহীদের অবস্থার অবনতি ঘটলে ওই দিন রাতেই তাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়। তারা উপজেলার খায়ের ঘটিচোরা গ্রামের মৃত আনোয়ার হোসেন সরদারের ছেলে।

যুবলীগ নেতা শহীদ সরদারের সঙ্গে খায়ের ঘটিচোরা মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক আ. সালামের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। শনিবার রাতে শহীদ মিরুখালী বাজারে দলিল লেখক সিদ্দিক জমাদ্দারের ঘরে বসে জমি-সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখছিলেন। এ সময় প্রতিপক্ষ সালামের পক্ষ নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা বজলুর রহমানের নির্দেশে কয়েকজন দেশি অস্ত্র নিয়ে ওই ঘরে প্রবেশ করে শহীদকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। এ সময় শহীদের চিৎকারে তার বড় ভাই বাচ্চু সরদার বাধা দিতে গেলে দুর্বৃত্তরা তাকেও কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় রোববার যুবলীগ নেতার বড় ভাই ফরিদ উদ্দিন চুন্নু হত্যাচেষ্টা মামলা করেন।

মন্তব্য করুন