লক্ষ্মীপুরে ধান সংগ্রহ অভিযানে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে খাদ্য কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। প্রকৃত কৃষকদের বাদ দিয়ে অন্য পেশার লোকজনের নাম দিয়ে তালিকা তৈরি করে ধান সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন কৃষকরা। ১ হাজার ৪০ টাকা মণে ধান বিক্রি করলেও নানা হয়রানির শিকার হতে হয় কৃষকদের।

কৃষকরা জানান, এবার আমনের ভালো ফলন হয়েছে। এতে চাষিরা খুশি থাকলেও সার, কীটনাশকের দাম বেশি হওয়ায় প্রতি মণ ধানের পেছনে খরচ পড়ে এক হাজার টাকা। বাজারে প্রতি মণ ধান বিক্রি করতে গেলে দাম পাওয়া যায় ৫-৬শ' টাকা। এছাড়া প্রকৃত কৃষকদের বাদ দিয়ে অন্য পেশার লোকজনের নাম দিয়ে তালিকা তৈরির ফলে প্রকৃত কৃষকরা বঞ্চিত হচ্ছেন। তাদের অভিযোগ, কৃষি অফিসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আঁতাত করে খাদ্য কর্মকর্তা ধান সংগ্রহ করেছেন। তাছাড়া কৃষি অফিসের তালিকা অনুযায়ী ধান সংগ্রহ করা হচ্ছে। একই অভিযোগ রামগঞ্জসহ লক্ষ্মীপুর সদর, রায়পুর, রামগতি ও কমলনগরের কৃষকদেরও।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এবার জেলার ৫টি উপজেলায় আমন ধানের আবাদ হয়েছে ৭৮ হাজার ৮৭৮ হেক্টর। এর মধ্যে উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪২ হাজার ২০০ হেক্টর। কিন্তু চাষ হয়েছে ৫১ হাজার ৬শ' হেক্টর। যা গত বছরের চেয়ে ৯ হাজার ৪শ' হেক্টর বেশি। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ ২০ হাজার টন। সরকারিভাবে ধান সংগ্রহ করা হবে প্রায় ৮৬২ টন।

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা রামীম পাঠান অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, খাদ্য গুমাদের কোনো গাফিলতি নেই। যা হচ্চে সরকারি নিয়ম অনুযায়ীই হচ্ছে।

মন্তব্য করুন