আসামির জবানবন্দি চার বন্ধু মিলে শিশু পূর্ণিমাকে ধর্ষণের পর হত্যা

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০১৮

ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি

ঢাকার ধামরাই উপজেলার সুয়াপুর ইউনিয়নের রৌহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী পূর্ণিমা আক্তারকে (৭) চার বন্ধু মিলে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেফতার মরণ চন্দ্র মনিদাস গতকাল শুক্রবার পুলিশের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। সন্ধ্যায় ধামরাই থানায় সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইদুর রহমান এ তথ্য জানান।

পুলিশ জানায়, গত ২৪ জুন দুপুরে শিশু পূর্ণিমা ডিম ও ডাল কেনার জন্য বাড়ির পাশে রৌহা বাজারে যায়। সেখান থেকে ফেরার পথে স্থানীয় আব্দুল মুন্নাফের বাড়ির পেছনে বাঁশঝাড়ের কাছে পৌঁছলে বাজারের মিষ্টি দোকানের কর্মচারী মরণ চন্দ্র মনিদাসসহ চার বন্ধু মিলে শিশুটিকে ধর্ষণের পর গলাটিপে হত্যা করে লাশ জঙ্গলে লুকিয়ে রাখে। পরের দিন তার লাশ পুলিশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ওইদিন রাতে ধামরাইয়ের সুয়াপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি সদস্য রমজান আলী গেদুর ছেলে সোহানকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর তার দেওয়া তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার রাতে মরণ চন্দ্র মনিদাসকে গ্রেফতার করে এবং তার দোকান থেকে পূর্ণিমার নাক ফুল ও গলার রুপার চেইন উদ্ধার করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইদুর রহমান জানান, এ খুনের সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও ধরার চেষ্টা চলছে।