চরভদ্রাসনে যৌন নির্যাতন

বখাটেদের ধরতে তৎপর প্রশাসন গ্রেফতার ১

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০১৮

ফরিদপুর অফিস

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে বখাটেদের যৌন নির্যাতনের শিকার হয়ে আতঙ্কে দিন পার করছে কিশোরী যমজ দুই বোন। পরিবারের লোকের পাহারায় স্কুলে যাচ্ছে তারা।

দুই বোনকে উত্ত্যক্তকারী ওই বখাটে চক্রকে ধরতে বৃহস্পতিবার থেকে তৎপর হয়ে উঠেছে জেলা পুলিশ, র‌্যাব ও ডিবি। মামলা হওয়ার পর এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রসঙ্গত বৃহস্পতিবার সমকালে 'বখাটেদের ভয়ে যমজ বোনের স্কুলে যাওয়া বন্ধ' শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

বুধবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন ওই দুই বোনের বাবা।

যমজ দুই বোনের সঙ্গে কথা বলে ওই অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, কয়েক মাস ধরে এলাকার কিছু বখাটে তাদের স্কুলে যাওয়া-আসার পথে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। গত শনিবার দুই বোনের একজন তার ভাইয়ের মোটরসাইকেলে চড়ে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে বখাটেরা তাকে হাত ধরে টেনে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় তার ভাই রাশেদুল বাধা দিলে ওই ইউনিয়নের বেপারীডাঙ্গী গ্রামের চিহ্নিত বখাটে মিজান, তাবিবুর, আকমল,  রাজু, রনি, রাশেদ, ইমরান  বেপারী ও আইয়ুব খালাসী তাকে পিটিয়ে আহত করে।

দুই কিশোরীর মা বলেন, 'আমি বখাটেদের উপযুক্ত বিচার চাই।' চরহাজিগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আযাদ আবুল কালাম বলেন, বখাটেদের লাগাম এখনই টেনে ধরতে হবে। তাদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনা হবে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শিক্ষক বলেন, ওই বখাটেরা প্রায়ই স্কুলের আশপাশে অনেক অন্যায় কাজ করে থাকে। কেউ ভয়ে তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পায়  না। কারণ, স্থানীয় প্রভাবশালী মাতবররা তাদের আশ্রয় দেয়। কয়েকজন জনপ্রতিনিধিও তাদের পেছনে রয়েছে।

এদিকে অভিযুক্ত মিজানের বাবা তার ছেলেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, মেয়েদের বিরক্ত করায় মিজান উভয়পক্ষের মধ্যে সমঝোতা করতে গেলে মিজান মেয়েপক্ষের আক্রমণের শিকার হয়।