দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে প্রতিদিনের যানজটে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রী, চালকসহ সংশ্নিষ্টদের। বৈরী আবহাওয়া এবং শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুট বন্ধ থাকায় বেশ কিছুদিন ধরে এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। ফেরি পারের জন্য তাদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে দুই থেকে তিন দিন পর্যন্ত।

গতকাল সোমবার সরেজমিন দেখা যায়, দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের  বাংলাদেশ হ্যাচারি পর্যন্ত দুই সারিতে শত শত যানবাহন আটকে রয়েছে। এর মধ্যে  এক সারিতে অপচনশীল পণ্যবাহী তিন শতাধিক ট্রাক-কাভার্ডভ্যান এবং আরেক সারিতে দুই শতাধিক পচনশীল পণ্যবাহী ট্রাক ও যাত্রীবাহী  বাস নদী পারের অপেক্ষায় সিরিয়ালে আছে। এ ছাড়া দৌলতদিয়া ঘাটকে যানজটমুক্ত রাখতে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে গোয়ালন্দ মোড়ে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কে আটকে রাখা হয়েছে দুই শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান। সব মিলিয়ে ফেরি পারের অপেক্ষায় রয়েছে সাত শতাধিক যানবাহন। ভুক্তভোগীরা জানান, প্রতিনিয়তই এমন ভোগান্তির শিকার হয়েই ফেরি পারাপার হতে হয়। এই দুর্ভোগ যেন শেষ হওয়ার নয়।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট শাখার সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) খোরশেদ আলম বলেন, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুট বন্ধ থাকায় ওই রুটের যানবাহনও এই রুট ব্যবহার করছে। তার সঙ্গে যোগ হয়েছে বৈরী আবহাওয়া। যে কারণে যানজট হচ্ছে। তিনি জানান, এই নৌরুটে বর্তমানে ১১টি রোরো এবং ছয়টি ইউটিলিটি ও দুটি মাঝারিসহ মোট ১৯টি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। দুর্ভোগ কমাতে যাত্রীবাহী যানবাহনগুলো অগ্রাধিকার দিয়ে পার করা হচ্ছে।

মন্তব্য করুন