ব্যাকটেরিয়া খেয়ে ফেলছে টাইটানিক

প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০১৯

সমকাল ডেস্ক

একসময়কার বিশ্বের সর্ববৃহৎ ও বিলাসবহুল টাইটানিক জাহাজ নিয়ে আজও মানুষের কৌতূহল রয়েছে। ১০৭ বছর আগে সেই জাহাজটি ডুবে যাওয়ার পর সমুদ্রতলে এখন কেমন আছে, সম্প্রতি তা দেখতে গিয়েছিলেন একদল ডুবুরি। গত ১৪ বছরে ডুবুরিদের টাইটানিক দেখতে যাওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম। ডুবুরিরা দেখতে পান ধীরে ধীরে সমুদ্রতলের মাটির নিচে ঢুকে যাচ্ছে টাইটানিক। সেইসঙ্গে ধাতব পদার্থখেকো ব্যাকটেরিয়া টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষের বাকিটুকুও খেয়ে ফেলছে।

চলতি মাসে পাঁচ দফায় যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সমুদ্রে অনুসন্ধানকারী প্রতিষ্ঠান টাইটন সাবমেরিন্সের ডুবুরিরা টাইটানিকের বর্তমান অবস্থান দেখতে যান। জাহাজটির অবস্থান এখন উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের চার হাজার মিটার গভীরে এবং কানাডার পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত নিউফাউন্ডল্যান্ড অ্যান্ড ল্যাব্রাডোর প্রদেশ থেকে ৩৭০ মাইল দক্ষিণে। বিশেষজ্ঞ, বিজ্ঞানী এবং যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওশেন অ্যান্ড এটমসফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রতিনিধি দল অভিযানে অংশ নেয়। তারা ডুবে যাওয়া টাইটানিকের চার হাজার ফুটেজ নিয়েছেন। এসব ফুটেজ এখন বিভিন্নভাবে বিশ্নেষণ করা হচ্ছে। এ ছাড়া আটলান্টিক প্রডাকশন নামে একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ডুবে যাওয়া টাইটানিক নিয়ে একটি তথ্যচিত্র বানাবে, যেখানে এসব ফুটেজ ব্যবহার করা হবে।

টাইটন সাবমেরিন্সের প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিক লাহে বলেন, চিত্তাকর্ষক বিষয় হচ্ছে, আমরা এবার দেখতে পেয়েছি কীভাবে টাইটানিক সমুদ্রতলের আরও ভেতরে চলে যাচ্ছে। এ ছাড়া ধাতব পদার্থ খেকো ব্যাকটেরিয়া কীভাবে টাইটানিক খেয়ে ফেলছে তাও আমরা দেখেছি।

আটলান্টিক মহাসাগরে ১৯১২ সালে বিশাল বরফখণ্ডের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ডুবে যায় টাইটানিক। এতে জাহাজে থাকা দুই হাজার ২২৩ আরোহীর মধ্যে এক হাজার ৫১৭ জনের মৃত্যু হয়। সূত্র সিএনএন।