ঘুম থেকে উঠেই আমাদের অনেকেরই দিনের সূচনা মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে। এর পর একের পর এক কাজ শুরু, যেগুলো অনেকটাই প্রযুক্তিকেন্দ্রিক। কাজের জন্য হোক বা সময় কাটানো; আমাদের এই মোবাইল, ল্যাপটপ, পিসি ইত্যাদি যন্ত্রের মধ্য দিয়েই কেটে যায়। রাতে কারও মুভি দেখে, গেম খেলে কিংবা অফিসের প্রেজেন্টেশন তৈরি করে দিন শেষ হয়। মোটামুটি অনেকের একই রুটিন। যান্ত্রিকতার বাইরে আমরা কিছু কল্পনা করতে পারি না। এভাবে দীর্ঘ সময় যান্ত্রিকতার ভেতরে থাকা এবং প্রকৃতির সান্নিধ্য না পাওয়ায় অনেকে অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি শারীরিক বা মানসিকভাবে। বিষণ্ণতা, দুশ্চিন্তা, অবসাদের মতো সমস্যা আমাদের ঘিরে রেখেছে। আজকের শিশু অনেকেই সবুজ প্রকৃতি দেখার পরিবর্তে ভিডিও গেম আর কার্টুনে সময় কাটাচ্ছে। ফলে তাদের চোখ ও মস্তিস্ক দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। এ সবকিছুর সমাধান একটাই- নিজেকে প্রকৃতির কাছে নিয়ে যাওয়া। অধিকাংশ মনোবিজ্ঞানী মনে করেন, সুস্থ- স্বাভাবিক জীবনযাপনে সবচেয়ে বড় ওষুধ সবুজ প্রকৃতির মাঝে থাকা। তাই বাসার বেলকনি ও ছাদে বাগান করুন এবং পরিবারের সবাই মিলে বাগানে সময় দিন।

আর সপ্তাহে না হোক মাসে অন্তত একদিন যান্ত্রিকতার বাইরে সবুজ শ্যামল গ্রামীণ এলাকা থেকে ঘুরে আসুন। ছবি তোলা আর ভিডিও করায় ব্যস্ত না থেকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করুন; বাতাসটাকে অনুভব করুন, বুকভরে নিঃশ্বাস নিন।

শিক্ষার্থী, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট

মন্তব্য করুন