গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন একটি কালাকানুন। নিরাপত্তার জন্য অন্য আইন আছে, প্রয়োজনে সেটি সংশোধন করুন; কিন্তু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের নামে প্রতারণা করবেন না। এ কালা আইনটিকে অবশ্যই ২৬ মার্চের মধ্যে কবর দিতে হবে। বাতিল করতে হবে।

গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনডিপি) আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন। লেখক মুশতাক আহমেদ হত্যার প্রতিবাদে এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ব্যাংক লুট ও শেয়ারবাজার লুটপাটকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। অথচ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় এখন প্রায় এক হাজার মানুষকে কারাগারে রাখা হয়েছে। একটি কার্টুন আঁকলে কী এমন ক্ষতি হয়? অথচ এজন্য কারাগারে মুশতাক আহমেদকে বিনা চিকিৎসায় মরতে হয়েছে। কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চিকিৎসা দেওয়া না হলে তার মৃত্যুর দায় সরকারকে নিতে হবে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুও তার বইয়ে কারাগারে চিকিৎসা সংকটের কথা লিখে গেছেন। এখনও দেশের কারাগারগুলোতে ভালো চিকিৎসা ব্যবস্থা নেই। জরুরি ইসিজি, হার্টের চিকিৎসা ব্যবস্থা নেই। এগুলোর উন্নয়ন না করা বঙ্গবন্ধুকেই অসম্মান করার শামিল।

করোনার টিকা নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানান ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

এনডিপির সভাপতি আবু তাহেরের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও বক্তৃতা দেন লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, গণস্বাস্থ্যের প্রেস উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু প্রমুখ।

মন্তব্য করুন