১৯৯৯ সালের ৬ মার্চ যশোরে উদীচীর জাতীয় সম্মেলনে বোমা হামলার পুনঃতদন্ত করে দোষীদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা। হামলার ২২ বছর পূর্তিতে শনিবার রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে 'বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী' আয়োজিত প্রতিবাদী সাংস্টৃ্কতিক সমাবেশে এ দাবি জানানো হয়।

উদীচীর সহসভাপতি শিবাণী ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে এবং সহসাধারণ সম্পাদক সঙ্গীতা ইমামের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন সিপিবির কেন্দ্রীয় নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স, সাধারণ সম্পাদক জামশেদ আনোয়ার তপন, সহসাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে, ইকবালুল হক খান, সম্পাদক আরিফ নূর, উদীচী যশোর জেলা সংসদের সদস্য একরামুল কবির খান প্রমুখ।

নেতারা বলেন, যশোর হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও বিচারের ব্যাপারে সরকার সীমাহীন অবহেলা দেখিয়েছে। বাইশ বছর পেরিয়ে গেলেও অজ্ঞাত কারণে তদন্ত প্রক্রিয়া থেমে আছে। উদীচীর ওপর বোমা হামলার সুষ্ঠু বিচার হলে হামলাকারীরা পরবর্তী সময়ে একের পর এক বোমা হামলার সুযোগ পেত না। বক্তারা অবিলম্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল ও এ আইনে গ্রেপ্তার সব বন্দির মুক্তি দাবি করেন।

শিবাণী ভট্টাচার্য বলেন, উদীচী এমন সংগঠন, যা কাউকে ভয় পায় না। উদীচী তার পথে আছে, চলছে এবং আজীবন চলবে।

সমাবেশে দলীয়, একক সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশন করা হয়। কেন্দ্রীয় সংগীত বিভাগ দলীয় সংগীত, মায়েশা সুলতানা ঊর্বি একক সংগীত ও শিখা সেনগুপ্ত আবৃত্তি পরিবেশন করেন। সমাবেশের শুরুতে সেদিনের হামলায় নিহতদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করে উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদ, ঢাকা মহানগর সংসদ, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। সমাবেশ শেষে নিহতদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বালন করা হয়।

মন্তব্য করুন