'এফপি ২০২০' লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে স্থায়ী পদ্ধতির ওপর জোর দিতে হবে

'উইশঅ্যাকশন' অবহিতকরণ সভায় বক্তারা

প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯

সমকাল প্রতিবেদক

মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর হার কমাতে পরিবার পরিকল্পনা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অর্জনের বিষয়টি অনেকাংশে নির্ভর করছে নারী ও যুবগোষ্ঠীর পরিবার পরিকল্পনা সেবা, যৌন, প্রজনন স্বাস্থ্যের অধিকারসহ অন্যান্য অধিকার যথাযথ কার্যকর করার ওপর। এদিকে, ২০১২ সালে লন্ডনে অনুষ্ঠিত পরিবার পরিকল্পনাবিষয়ক সম্মেলনে ২০২০ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে আরও ১২ কোটি নারীর কাছে আধুনিক জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী পৌঁছানোর আহ্বান জানানোর পাশাপাশি কয়েকটি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। 'এফপি ২০২০' শীর্ষক ওই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দীর্ঘমেয়াদি এবং স্থায়ী পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতির পাশাপাশি নারীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

সোমবার রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে আয়োজিত 'উইশঅ্যাকশন' প্রকল্প অবহিতকরণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে মেরী স্টোপস বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মাসরুরুল ইসলাম এসব কথা বলেন। ডিএফআইডির আর্থিক সহায়তায় এবং ইন্টারন্যাশনাল প্ল্যানড প্যারেন্টহুড ফেডারেশনের (আইপিপিএফ) সার্বিক তত্ত্বাবধানে মেরী স্টোপস বাংলাদেশ, অপশনস কনসালট্যান্সি সার্ভিসেস ও হ্যান্ডিক্যাপ ইন্টারন্যাশনাল-হিউমিনিটি ইনক্লুশন সংস্থাগুলোর একটি কনসোর্টিয়ামের মাধ্যমে প্রকল্পটির কার্যক্রম চলছে। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত ও দুর্গম অঞ্চলের মানুষের পরিবার পরিকল্পনা ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা, অধিকারসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান করাই এ প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য। সভায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত সচিব এবং পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আ খ ম মহিউল ইসলাম। তিনি বলেন, পরিবার পরিকল্পনা অবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার 'এফপি ২০২০' ও এসডিজির কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. নাসিমা সুলতানা, পরিচালক (এমসিএইচ-সার্ভিসেস) মোহাম্মদ শরীফ, ডিজিএফপি ক্লিনিক্যাল কন্টাসেপশন সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রোগ্রামের লাইন ডিরেক্টর ডা. মঈনুদ্দিন আহম্মদ, ডিএফআইডি বাংলাদেশের হেলথ অ্যাডভাইজার ডা. শেহলিনা আহম্মদ, হ্যান্ডিক্যাপ ইন্টারন্যাশনাল-হিউমিনিটি ইনক্লুশনের কান্ট্রি ডিরক্টের জঁ লু প্রমুখ। আরও কথা বলেন প্রোগ্রামের বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার ডা. সানজিদা হাসান, ডা. রীনা ইয়াসমিন, ডা. নাদিরা সুলতানা ও ডা. ইসরাত জাহান।