শার্শায় গৃহবধূ ধর্ষণ

তিন আসামি তিন দিনের রিমান্ডে

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

যশোর অফিস

শার্শায় গৃহবধূ ধর্ষণ মামলার তিন আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গতকাল রোববার তাদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। তবে এদিন ধর্ষণের বিষয়ে গঠিত যশোর পুলিশের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন দাখিলের কথা থাকলেও তা দাখিল করা হয়নি। বরং কমিটির মেয়াদ আরও সাত দিন বাড়ানো হয়েছে।

রিমান্ডে নেওয়া তিন আসামি হলেন পুলিশের 'সোর্স' শার্শার চটকাপোতা গ্রামের কামরুজ্জামান ওরফে কামরুল, লক্ষ্মণপুরের আব্দুল লতিফ ও আব্দুল কাদের।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যশোর পিবিআইর পরিদর্শক শেখ মোনায়েম হোসেন জানান, আদালতে আসামিদের পাঁচ দিনের জন্য রিমান্ড চাওয়া হয়। গতকাল দুপুরে শুনানি শেষে যশোর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সাইফুদ্দিন হুসাইন তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এদিন বিকেলেই তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়।

এদিকে গতকাল শার্শা থানার ওসি এম মশিউর রহমানকে প্রত্যাহার করে সেখানে নতুন ওসি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তার স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে বরিশাল মেট্রোপলিটনের পরিদর্শক আতাউর রহমানকে। তবে এটা রুটিন বদলি বলে জানিয়েছেন পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা। ২ সেপ্টেম্বর রাতে শার্শার একটি গ্রামে আসামির স্ত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত গোড়পাড়া ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই খায়রুল আলমের নাম বাদপড়ায় সমালোচিত ছিলেন ওসি মশিউর।

পুলিশ সুপার মঈনুল হক বলেন, ওসি মশিউরকে রুটিন বদলি করা হয়েছে। এ বদলির সঙ্গে গৃহবধূ ধর্ষণ মামলার কোনো সম্পর্ক নেই।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) সালাউদ্দিন শিকদার বলেন,  ওসি হিসেবে একই থানায় টানা দু'বছর দায়িত্ব পালন করায় স্বাভাবিক নিয়মেই মশিউরকে বদলি করা হয়েছে।

ধর্ষণের বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সালাউদ্দিন শিকদার জানান, ঘটনার গুরুত্ব অনুধাবন এবং নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তদন্ত কমিটির মেয়াদ আরও সাত দিন বাড়ানোর জন্য আবেদন করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সেটা গ্রহণ করেছে।