ওয়ালটনের পণ্য মিলবে যুক্তরাষ্ট্রে

প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০১৯

এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রেও মিলবে বাংলাদেশে তৈরি ওয়ালটনের ইলেকট্রনিক্স ও আইসিটি পণ্য। ওয়ালটনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বখ্যাত ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজনের এ সংক্রান্ত চুক্তি হয়েছে। এর মাধ্যমে ওয়ালটন ব্র্যান্ডের বিভিন্ন পণ্য অ্যামাজনের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিশ্বব্যাপী বিক্রি করা হবে।

চুক্তির ফলে সব ধরনের ওয়ালটন পণ্য নিতে পারবে অ্যামাজন। তবে প্রাথমিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ওয়ালটনের ল্যাপটপ,

কম্পিউটার, মোবাইল ফোন এবং হোম অ্যাপ্লায়েন্স বিক্রি হবে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীতে ওয়ালটন করপোরেট অফিসে এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

অ্যামাজন বিডির কান্ট্রি ম্যানেজার শশাঙ্ক পান্ডে এবং ওয়ালটনের নির্বাহী পরিচালক ও কম্পিউটার পণ্য বিভাগের সিইও ইঞ্জিনিয়ার লিয়াকত আলী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান এস এম শামসুল আলম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম আশরাফুল আলম, ওয়ালটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান এস এম মাহবুবুল আলম, ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান এস এম রেজাউল আলম, আরবি গ্রুপ অব কোম্পানিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাহমিনা আফরোজ তান্না, ওয়ালটন কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাইসা সিগমা হিমা এবং ওয়ালটন আন্তর্জাতিক বিজনেস ইউনিট (আইবিইউ) প্রেসিডেন্ট অ্যাডওয়ার্ড কিমসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে তৈরি ট্যামারিন্ড ইএক্স মডেলের নতুন একটি ওয়ালটন ল্যাপটপের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

এ সময় জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, বাংলাদেশে তৈরি পণ্য আমেরিকার বাজারে যাচ্ছে, এটা শুধু ওয়ালটনের জন্য ঐতিহাসিক দিন নয়, বরং বাংলাদেশের জন্যও ঐতিহাসিক দিন। যারা বিশ্বের ডিজিটাল ইকোনমির নেতৃত্ব দিচ্ছে তাদের দেশে ওয়ালটন পণ্য রফতানি হচ্ছে। এটা আমাদের জন্য একটি বড় অর্জন।

অ্যামাজন বিডির কান্ট্রি ম্যানেজার শশাঙ্ক পান্ডে বলেন, আজ অ্যামাজন, ওয়ালটন এবং বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। বাংলাদেশে তৈরি পণ্যের বৈশ্বিক চাহিদা রয়েছে। এই চুক্তির মাধ্যমে 'মেড ইন বাংলাদেশ' ওয়ালটন পণ্য অ্যামাজনের গ্লোবাল প্ল্যাটফর্মে আসবে।

ওয়ালটনের আইবিইউ শাখার প্রেসিডেন্ট এডওয়ার্ড কিম বলেন, ওয়ালটনের টার্গেট এক বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রফতানির মধ্য দিয়ে বিশ্ববাজারে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করা। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।