ব্যঙ্গ প্রতিকৃতিতে অলস প্রজন্ম

প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০১৯

সমকাল ডেস্ক

বিশ্বে প্রতিনিয়ত পরিবর্তন আসছে। সে সঙ্গে পাল্টাচ্ছে মানুষের স্বভাবও। ইন্টারনেট, ফেসবুক, টুইটার, ক্ষমতাধর নেটফ্লিক্সের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যত বেশি মানুষের মধ্যে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠছে, মানুষের চোখ দুটোও যেন ততবেশি বন্দি হয়ে পড়ছে। এর ফল কী হচ্ছে- ভাবছেন একবারও? তথ্যের বানে নতুন প্রজন্ম হয়তো সমৃদ্ধ হচ্ছে, একই সঙ্গে তাদের অলসতাও দিন দিন শুধু বাড়ছে। এর নেতিবাচক প্রভাব শরীরে ও মনে দুইয়ের ওপরই পড়ছে। এ দিকটা খেয়াল করেই নান্দনিক এক পদক্ষেপ নিয়েছেন চীনের এক ডিজিটাল ইলাস্ট্রেটর শিল্পী। নতুন প্রজন্মের আলসেমিকে আঘাত করতে তিনি তাদের ব্যঙ্গ করে চমৎকার সব পুতুল এঁকেছেন। তারা প্রত্যেকেই আলসেমির একেকটি চূড়া যেন। তাদের দিকে তাকালেই আপনার মনেও চিন্তার উদ্রেক হবে- এ আসলে কী হচ্ছে! এমন অলস সময় যাপন যে ঝুঁকি বয়ে আনছে



নতুন প্রজন্মের ওপর! আপনিও আলসেমির বিরুদ্ধে সক্রিয় হতে উৎসাহী হবেন।

চীনের ওই শিল্পীর নাম- গাওডং ঝাউ। তিনি কাজ করেন বেইজিংয়ে। তার এই মজার শিল্প প্রকল্পের নাম রেখেছেন, 'অলস বস্তুজগত'। এ চিন্তাকে রূপ দিতে তিনি আয়েশী ও আরামদায়ক বিনব্যাগে চিৎ হয়ে পড়ে থাকা বেশি কিছু প্রাণীর অবয়ব ফুটিয়ে তুলেছেন। দেখলেই মনে হবে, রাজ্যের অলসতা তাদের দেহে। তৃষ্ণা, কিংবা ক্ষুধা পেলেও যেন তারা গা নাড়াতে রাজি হবে না। তাদের কেউ আসনে পিঠ রেখে মোবাইলে চোখ রাখছে, কিংবা টিভি দেখছে। না হয়, ভিডিও গেমস খেলছে।

ঝাউ প্রতিটা প্রাণীর আলসেমি আর সে অনুযায়ী মানানসই শারীরিক অবয়ব সঠিকভাবে ফুটিয়ে তুলতে ব্যাপক মনোযোগ দিয়েছেন। এ জন্য তিনি পিক্সোলজিক জিব্রাশ ব্যবহার করেছেন। এ সফটওয়্যারটির মাধ্যমে মডেলিং, টেক্সারিং এবং থ্রিডি পেইন্টিংয়ের সমন্বয় করা যায়। আর প্রাণী হিসেবে তিনি বেছে নিয়েছেন পান্ডা, সিল মাছ, বেড়াল, খেঁকশিয়াল, হাতির বাচ্চা, কুমির, জলহস্তি, হাঙরের মতো মানুষের মনোযোগ কাড়া প্রাণীদের। উৎস : বোরডপান্ডাডটকম।