বিচারের অপেক্ষায় থেকে পৃথিবী ছাড়লেন মা

হুমায়ুন কবির পাটওয়ারী নিহত কুদ্দুস পাটওয়ারীর বড় ভাই

প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০১৯      

মা আমেনা বেগম। দীর্ঘ ১০ বছর ছেলের শোকে কেঁদে কেঁদে অবশেষে ২০১৩ সালে চলে গেলেন না-ফেরার দেশে। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত মায়ের চোখ বেয়ে পানি পড়েছে ছোট ছেলের জন্য। প্রায়ই তিনি কুদ্দুসের ফ্রেমে বাঁধানো ছবিটি বুকে নিয়ে

বসে থাকতেন। ২১ আগস্ট এলে মা বিলাপ করতেন বেশি। সবসময় বলতেন, ঘাতকদের বিচার যদি দেখে যেতে পারতাম, ফাঁসি দেখতাম- মইরাও শান্তি পাইতাম।

কুদ্দুসকে হারানোর ব্যথা আমাদের অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি প্রতি বছর ২১ আগস্ট এলেই আমাদের গণভবনে ডেকে নেন; সান্ত্বনা দেন। তিনি আমাদের পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মমতাময়ী পরশে ভাই হারানোর বেদনা কিছুটা হলেও ভুলে থাকতে পারি। এখন এটাও মনে হয় যে, ভাই তার জীবন দিয়ে আমাদের পরিবারকে অহঙ্কারের জায়গায় রেখে গেছে। পরিশেষে বলতে চাই, ভাইয়ের স্মৃতি রক্ষায় আমাদের চাঁদপুর জেলা বা উপজেলা হাইমচরে কিছু প্রতিষ্ঠা হয়নি। আমাদের পরিবার ও এলাকাবাসীর দাবি- কুদ্দুসের নামে যেন সদ্য মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পাওয়া চাঁদুপর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়টির নামকরণ করা হয়। অথবা হাইমচরে প্রস্তাবিত সরকারি মহিলা কলেজের নামটি যেন কুদ্দুসের নামে হয়।