ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ১১ আগস্ট ২০১৯      

সমকাল প্রতিবেদক

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বস্তরের জনগণের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। রাষ্ট্রপতি ঈদের দিন সোমবার সকাল ১০টা থেকে বঙ্গভবনে মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, রাজনীতিক, বিচারক, বিদেশি কূটনীতিক, তিন বাহিনীর প্রধান, বুদ্ধিজীবী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান হবে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে। ঈদের দিন সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদ, সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাসহ সর্বস্তরের নেতাকর্মী, রাজনীতিক, কবি, সাহিত্যিক, লেখক, সাংবাদিক, শিক্ষক ও বুদ্ধিজীবীসহ সর্বস্তরের জনসাধারণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী। সকাল ১১টা থেকে একই স্থানে বিচারক, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তিন বাহিনীর প্রধান, বিদেশি কূটনীতিক, সিনিয়র সচিব, সচিব ও সমমর্যাদার অন্যান্য বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গেও শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তিনি।

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীও ঢাকায় ঈদ করবেন। অন্যদিকে ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া সকাল ৮টায় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় ঈদ জামাতে ঈদের নামাজ আদায় করবেন।

১৫ আগস্ট টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী :গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসে শ্রদ্ধা জানাতে ১৫ আগস্ট গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এদিন সকাল ১০টায় তিনি বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-১ কাজী নিশাত রসুল স্বাক্ষরিত ফ্যাক্সবার্তায় এ তথ্য জানা গেছে।

গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা প্রধানমন্ত্রীর টুঙ্গিপাড়া সফরের কথা নিশ্চিত করে বলেছেন, আমরা এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ফ্যাক্সবার্তা পেয়েছি। তাতে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওই দিন সকাল ১০টায় টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছে জাতির পিতার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাতে অংশ নেবেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে সশস্ত্র বাহিনীর চৌকস দল গার্ড অব অনার জানাবে। পরে প্রধানমন্ত্রী পবিত্র সুরা ফাতেহা পাঠ ও বঙ্গবন্ধুসহ '৭৫-এর ১৫ আগস্টের শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করবেন।

এদিন সকাল ১১টায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ মসজিদ চত্বরে মিলাদ ও বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী টুঙ্গিপাড়া বঙ্গবন্ধু ভবনে অবস্থান করে তাতে অংশ নেবেন।

জাতীয় শোক দিবসের এ কর্মসূচিতে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা, সামরিক-বেসামরিক পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।

শোক দিবস সামনে রেখে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সে সৌন্দর্যবর্ধন, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ও ধোয়া-মোছার কাজ শেষ হয়েছে। জেলার বিভিন্ন সড়কে নির্মাণ করা হয়েছে কালো তোরণ। সড়কের পাশে কালো পতাকা দিয়ে শোকাবহ পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। টুঙ্গিপাড়াসহ বিভিন্ন স্থানে উড়ছে কালো পতাকা।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে জেলার সর্বত্র নিরাপত্তা জেরাদার করা হয়েছে। টুঙ্গিপাড়ায় র‌্যাব-পুলিশের পাশাপাশি নিরাপত্তাকর্মীরা কাজ করছেন।

গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ সাঈদুর রহমান খান জানান, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসবেন। নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে আমরা প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করেছি। সবার প্রচেষ্টায় প্রধানমন্ত্রীর এ সফর সফল হবে।