হাজারীবাগ থেকে লুট সাড়ে ৫ টন পিতল সিলেটে উদ্ধার

গ্রেফতার ৮

প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০১৯      

সমকাল প্রতিবেদক

রাজধানীর হাজারীবাগের একটি কারখানা থেকে লুট করা সাড়ে পাঁচ টন পিতলের স্ট্ক্র্যাপ সিলেট থেকে উদ্ধার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পশ্চিম বিভাগ। শুক্রবারের এ অভিযানে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ডাকাতদলের আট সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- স্বপন, জলিল খান, জালাল হাওলাদার, মোজাম্মেল হক শিশির, মনির হোসেন, শহিদুল ইসলাম, এনামুল হক ও সোহেল রানা। তাদের মধ্যে সোহেল সিলেটের মোগলাবাজার থানার জকিগঞ্জ রোডের গোটাটিকর পয়েন্টের মায়ের দোয়া এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজার। তার গুদাম থেকেই লুণ্ঠিত পিতলের স্ট্ক্র্যাপ উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে একটি তালা ভাঙার কাটার, দুটি চাপাতি ও তিনটি চাকু পাওয়া গেছে।

গতকাল শনিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন ডিবির যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম। তিনি জানান, গত ২৮ জুন হাজারীবাগের গজমহল এলাকার ৭১/৪/এ/১ নম্বর হোল্ডিংয়ে কেবি মেটাল ওয়ার্কস নামের কারখানায় হানা দেয় ডাকাত দল। রাত ৮টার দিকে তারা কারখানায় ঢুকে দারোয়ান ও কর্মচারীদের মারধর করে হাত-পা বেঁধে রাখে। এরপর তারা কারখানায় কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহূত ১৫ টন পিতলের স্কার্ফ লুট করে নিয়ে যায়। লুণ্ঠিত পিতলের দাম ৬০ লাখ টাকার ওপরে। এ-সংক্রান্ত মামলার সূত্র ধরে ডাকাত দলটির সদস্যদের গ্রেফতার করে ডিবি।

মাহবুব আলম বলেন, গ্রেফতারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা স্বর্ণের দোকান, চালের আড়ত, রাস্তার মালপত্র বোঝাই ট্রাক, যাত্রাবাহী বাস, বিভিন্ন শোরুম ও গুদামে ডাকাতি করে। তাদের মধ্যে জালাল হাওলাদারের বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে আটটি; স্বপন, এনামুল হক, শহিদুল ইসলাম ও জলিল খানের বিরুদ্ধে তিনটি করে; মনির হোসেন ও মোজাম্মেল হক শিশিরের বিরুদ্ধে দুটি করে এবং সোহেল রানার বিরুদ্ধে চারটি মামলা রয়েছে।